2 दिन पहलेপঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট ২৪ বছর পুরোনো রামচন্দ্র ছত্রপতি হত্যা মামলায় গুরমীত রাম রহিম সিংকে খালাস দিল
![]()
পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট ২৪ বছর পুরোনো সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতি হত্যাকাণ্ড মামলায় ডেরা সচ্চা সৌদা প্রধান গুরমীত রাম রহিম সিংকে বেকসুর খালাস দিয়েছে। আদালত বলেছে, উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি, তবে মামলায় দোষী সাব্যস্ত অন্য তিন অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।
পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্ট মামলায় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের পূর্ববর্তী রায় আংশিকভাবে সংশোধন করে গুরমীত রাম রহিম সিংকে খালাস দিয়েছে। আদালত জানায়, প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে তার ভূমিকা সন্দেহাতীতভাবে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
শুনানির সময় আদালত নথিভুক্ত সব দলিল, সাক্ষীদের বয়ান এবং পরিস্থিতিগত প্রমাণ বিশদভাবে পরীক্ষা করে। এই পর্যালোচনার পর আদালত সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে গুরমীত রাম রহিমের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ অপর্যাপ্ত। সেই ভিত্তিতে তাকে সন্দেহের সুবিধা দিয়ে খালাস দেওয়া হয়।
মামলায় দোষী সাব্যস্ত অন্য তিন অভিযুক্ত কুলদীপ, নির্মল এবং কিশন লালের বিরুদ্ধে সিবিআই আদালতের রায়কে হাই কোর্ট সঠিক বলে উল্লেখ করেছে। আদালত জানায়, তাদের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও প্রমাণ তাদের সংশ্লিষ্টতা স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করে।
এই ভিত্তিতে আদালত তিন অভিযুক্তের দোষসিদ্ধি বহাল রেখে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখার নির্দেশ দেয়।
মামলাটি ২০০২ সালে সাংবাদিক রামচন্দ্র ছত্রপতির হত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি একটি স্থানীয় সংবাদপত্রের সম্পাদক ছিলেন এবং তার পত্রিকায় ডেরা সচ্চা সৌদা সংক্রান্ত কিছু গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ করেছিলেন।
এই প্রতিবেদন প্রকাশের কিছু সময় পর তার ওপর গুলিচালনা করা হয়। গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় পরে তদন্ত কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই)-এর হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর সিবিআই মামলায় একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।
এরপর সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে মামলার শুনানি শুরু হয়। বহু বছর ধরে চলা শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর বিশেষ আদালত গুরমীত রাম রহিমসহ অন্যান্য অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে সব দোষী পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টে আপিল দায়ের করে। সেই আপিলের শুনানির সময় প্রতিরক্ষা পক্ষ এবং সিবিআই উভয়ই বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন করে।
প্রতিরক্ষা পক্ষ আদালতে যুক্তি দেয় যে গুরমীত রাম রহিমের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও শক্ত প্রমাণ নেই। অপরদিকে সিবিআই সাক্ষীদের বয়ান ও পরিস্থিতিগত প্রমাণের উল্লেখ করে।
উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে আদালত মামলার সব নথি ও প্রমাণ পর্যালোচনা করে। পরবর্তীতে আদালত জানায় যে গুরমীত রাম রহিমের বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে তার ভূমিকা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট নয়।
2 दिन पहलेমধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বান্দার আব্বাসের কাছে 4.1 মাত্রার ভূমিকম্প
![]()
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানে 4.1 মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা USGS জানিয়েছে, শনিবার সকালে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বান্দার আব্বাসের কাছে এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়।
ভারতীয় সময় অনুযায়ী কম্পনটি সকাল প্রায় 8:48 মিনিটে নথিভুক্ত হয়। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল 4.1। ভূমিকম্পটি খুব বেশি শক্তিশালী না হলেও বর্তমান সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
USGS প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র ছিল বান্দার আব্বাস শহর থেকে প্রায় 74 কিলোমিটার পশ্চিমে। বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী ভূমিকম্পটি ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় 10 কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়। তুলনামূলক কম গভীরতায় হওয়ায় এর কম্পন আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়।
স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম্পন অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষ বাড়ি ও ভবন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে এবং কিছু সময়ের জন্য এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
বর্তমানে ইরান গুরুতর সামরিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের কারণে বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বজায় রয়েছে। ধারাবাহিক হামলা ও পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হওয়ায় অনেক মানুষের উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পায়।
অনেক ব্যক্তি সামাজিক মাধ্যমে ভূমিকম্পের তথ্য শেয়ার করে জানান যে ইতোমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে এই ঘটনা অতিরিক্ত উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো প্রেক্ষাপটে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে ভূকম্পীয় কার্যকলাপ নথিভুক্ত হচ্ছে। এর আগে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সেই সময় রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল 4.3।
সেই ভূমিকম্পটি ইরানের ফারস প্রদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত গেরাশ এলাকার কাছাকাছি রেকর্ড করা হয়েছিল। ওই ঘটনাতেও কম্পন প্রায় 10 কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছিল। তখনও কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ধারাবাহিক কম্পনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
3 মার্চ 2026 তারিখে রেকর্ড হওয়া ওই ভূমিকম্পের বৈজ্ঞানিক তথ্য অনুযায়ী এর উপকেন্দ্র ছিল গেরাশ শহর থেকে প্রায় 52 কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। তখন ভূমিকম্পের অবস্থান 28.036°N অক্ষাংশ এবং 53.789°E দ্রাঘিমাংশের কাছাকাছি নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ভূমিকম্পটির গভীরতা তখনও প্রায় 10 কিলোমিটার বলে জানানো হয়, যার ফলে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসন সে সময়ও জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিল এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছিল।
06 मार्च 2026Assam-এর Karbi Anglong-এ প্রশিক্ষণ মিশনের সময় Sukhoi Su-30MKI যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত
![]()
ভারতের আসামে বৃহস্পতিবার রাতে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি Sukhoi Su-30MKI যুদ্ধবিমান প্রশিক্ষণ মিশনের সময় Karbi Anglong জেলায় বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে।
ভারতীয় বায়ুসেনার মতে, দুই আসনের এই ফাইটার জেটটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড়ানে ছিল এবং সন্ধ্যায় Assam-এর Jorhat এয়ারবেস থেকে উড্ডয়ন করেছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পর বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যার পর অনুসন্ধান অভিযান শুরু করা হয়। পরে রাতে Karbi Anglong জেলার পাহাড়ি এলাকায় বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।
উভয় পাইলটের মৃত্যু
ভারতীয় বায়ুসেনা এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে দুর্ঘটনায় Squadron Leader Anuj এবং Flight Lieutenant Purvesh Durgakar গুরুতরভাবে আহত হন এবং পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। বায়ুসেনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্টে দুই কর্মকর্তার মৃত্যুর জন্য শোক প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বায়ুসেনার সকল সদস্য এই দুঃখের সময় নিহত পাইলটদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।
বায়ুসেনার তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল। এটি সন্ধ্যায় Jorhat এয়ারবেস থেকে উড্ডয়ন করেছিল এবং শেষবার নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ হয় প্রায় সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে। এর পর হঠাৎই বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিমানটি ফিরে না আসায় বায়ুসেনা সঙ্গে সঙ্গে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার অনুসন্ধানের পর গভীর রাতে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
Sukhoi Su-30MKI: ভারতীয় বায়ুসেনার বহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমান
Sukhoi Su-30MKI ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম উন্নত এবং শক্তিশালী মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান। এটি রাশিয়ার বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান Sukhoi দ্বারা নকশা করা হয়েছে এবং ভারতে লাইসেন্সের অধীনে এর উৎপাদন করা হয়। এই দুই আসনের, টুইন-ইঞ্জিন ফাইটার জেট দীর্ঘ দূরত্বের উড়ান, আকাশযুদ্ধ এবং নির্ভুল হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার বহরে এই বিমানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং দেশের আকাশ প্রতিরক্ষার একটি প্রধান অংশ।
05 मार्च 2026নিতীশ কুমার বিহারে রাজ্যসভার জন্য মনোনয়ন জমা দেবেন, সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা তীব্র হচ্ছে
![]()
বিহারে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে মুখ্যমন্ত্রী Nitish Kumar আজ প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছেন। এই সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আলোচনা চলছে।
দেশের ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার আজ শেষ দিন। এই প্রেক্ষাপটে বিহারের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সামনে এসেছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী Nitish Kumar আজ রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে Nitish Kumar বিহার বিধানসভায় পৌঁছে রাজ্যসভা প্রার্থী হিসেবে তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন। এই ঘটনাকে বিহারের রাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রায় দুই দশক পরে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনার আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিহারের রাজনীতিতে গত প্রায় ২০ বছর ধরে Nitish Kumar কেন্দ্রীয় ভূমিকায় ছিলেন। তিনি একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জোট রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এখন তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়ার আলোচনা রাজ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, JDU-র বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে Nitish Kumar দিল্লির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারেন। সেই কারণেই তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদি তা ঘটে, তাহলে বিহারের রাজনীতিতে ২১ বছর পরে নতুন নেতৃত্ব সামনে আসতে পারে।
তবে এখনও পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক মহলে এই খবর নিয়ে আলোচনা বাড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, Nitish Kumar যখন রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দেবেন, তখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah উপস্থিত থাকতে পারেন। এটিকে NDA জোটের অভ্যন্তরে একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, Amit Shah-এর উপস্থিতি কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে NDA-র অভ্যন্তরে নতুন কৌশল তৈরির ইঙ্গিত দিতে পারে। এই কারণেই আজকের দিনটিকে বিহারের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য JDU-র পক্ষ থেকে আরেকটি নাম সামনে এসেছে। JDU নেতা Ramnath Thakur-ও দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেবেন। Ramnath Thakur দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অধিকারী এবং JDU-র জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অন্যতম। এই কারণেই রাজ্যসভা নির্বাচনে তাঁকেও প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Nitish Kumar-এর রাজ্যসভায় যাওয়ার সম্ভাবনার সঙ্গে বিহারে আরেকটি রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি Nitish Kumar মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে রাজ্যে প্রথমবার BJP-র একজন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন—এই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
এখন পর্যন্ত বিহারে BJP জোট সরকারের অংশ হলেও মুখ্যমন্ত্রীর পদ JDU-র কাছেই ছিল। যদি ক্ষমতার ভারসাম্যে পরিবর্তন ঘটে, তাহলে তা রাজ্যের রাজনীতিতে একটি নতুন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।
Nitish Kumar-এর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর NDA নেতাদের একটি বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এই বৈঠকে Amit Shah উপস্থিত থাকতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। বৈঠকে বিহারে নতুন সরকার গঠনের সম্ভাব্য সূত্র নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
সূত্রের মতে, BJP এখন বিহারে জোট রাজনীতিতে বড় ভূমিকা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং দলটি মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য নিজের মুখ সামনে আনতে পারে।
বর্তমানে বিহার সরকারে BJP-র দুইজন উপমুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। এদের মধ্যে Samrat Choudhary এবং Vijay Kumar Sinha অন্তর্ভুক্ত। নতুন সরকার গঠিত হলে উপমুখ্যমন্ত্রীর কাঠামোতেও পরিবর্তন আসতে পারে। তবে নতুন সরকারে একজন না দুইজন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়।
Nitish Kumar-এর রাজ্যসভায় যাওয়ার সম্ভাবনার পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে একাধিক নাম আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Nityanand Rai-এর নাম উল্লেখ করা হচ্ছে।
Nityanand Rai যাদব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সময় আসন বণ্টন ও সাংগঠনিক কৌশলে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম Samrat Choudhary। তিনি বিহারে BJP-র প্রধান নেতাদের একজন এবং কুশওয়াহা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। তাঁর সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে তাঁকেও সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
02 मार्च 2026দ্রৌপদী মুর্মু দিল্লি সরকারের চারটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন
![]()
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু আজ রাজধানী নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দিল্লি সরকারের চারটি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস যাত্রার উদ্দেশ্যে স্মার্ট কার্ড, হোলি ও দীপাবলিতে বিনামূল্যে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, ‘দিল্লি লখপতি বিটিয়া যোজনা’ এবং ‘মেরি পুঁজি মেরা অধিকার’ কর্মসূচি।
দিল্লি সরকার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করছে, যা “সশক্ত নারী, সমৃদ্ধ দিল্লি” শিরোনামের অধীনে উপস্থাপিত হচ্ছে।
মহিলাদের জন্য ‘পিঙ্ক স্মার্ট কার্ড’ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে দিল্লির মহিলা বাসিন্দারা দিল্লি পরিবহন নিগম (ডিটিসি) বাসে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বক্তব্য অনুযায়ী, এই কার্ডটি মেট্রো, রিজিওনাল র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম (আরআরটিএস) এবং অন্যান্য গণপরিবহন পরিষেবার বিদ্যমান অটোমেটিক ফেয়ার কালেকশন সিস্টেমের সঙ্গে সমন্বিত করা হবে। এর ফলে একক কার্ডের মাধ্যমে একাধিক পরিবহন ব্যবস্থার সুবিধা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।
সরকার প্রায় ৫০টি নির্ধারিত কেন্দ্রে—যার মধ্যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম) ও সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (এসডিএম) দপ্তর এবং নির্বাচিত ডিটিসি ডিপো অন্তর্ভুক্ত—এই কার্ড বিতরণ করবে। কার্ডগুলি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে এবং সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করবে দিল্লি সরকার।
‘দিল্লি লখপতি বিটিয়া যোজনা’র অধীনে কন্যাসন্তানের নামে বিভিন্ন পর্যায়ে মোট ৫৬,০০০ টাকা জমা করা হবে। পূর্ববর্তী ব্যবস্থায় জন্মের সময় এককালীন অর্থ জমা এবং শ্রেণি ১, ৬ ও ৯-এ ভর্তির সময়, শ্রেণি ১০ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এবং শ্রেণি ১২-এ ভর্তির সময় অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হতো। নতুন ব্যবস্থায় জমাকৃত অর্থ সুদসহ ২১ বছর বয়সে পরিপক্ব হয়ে এক লক্ষ টাকার বেশি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
রেশন কার্ডধারী পরিবারগুলিকে প্রতি বছর দুটি বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার প্রদান করা হবে—একটি হোলিতে এবং একটি দীপাবলিতে। মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বক্তব্য অনুযায়ী, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে এই সুবিধা প্রদান করা হবে এবং সিলিন্ডারের বর্তমান বাজারদামের সমপরিমাণ অর্থ পরিবারপ্রধানের আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি জমা করা হবে। সরকারি অনুমান অনুযায়ী, প্রায় ১৭.৫ লক্ষ রেশন কার্ডধারী পরিবার এই প্রকল্পের আওতায় উপকৃত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
‘মেরি পুঁজি মেরা অধিকার’ কর্মসূচির অধীনে দিল্লি লাডলি যোজনার ৪০,৬৪২ জন উপযুক্ত উপভোক্তাকে মোট ১০০.২৫ কোটি টাকা ডিজিটাল মাধ্যমে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হবে। ২০০৮ সালে শুরু হওয়া লাডলি যোজনার উদ্দেশ্য ছিল কন্যাসন্তানের জন্ম ও শিক্ষাকে উৎসাহিত করা। সরকার জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপভোক্তারা দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিপক্ব অর্থ প্রাপ্ত হবেন।
28 फरवरी 2026বলিভিয়ার এল অল্টোতে বিমান বাহিনীর C-130 হারকিউলিস রানওয়ে থেকে পিছলে সড়কে পড়ে, নিহত অন্তত ১৫
![]()
শুক্রবার সন্ধ্যায় বলিভিয়ার রাজধানী লা পাজের কাছে এল অল্টো শহরে একটি গুরুতর বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। এল অল্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বলিভিয়ান বিমান বাহিনীর একটি লকহিড C-130 হারকিউলিস বিমান খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে রানওয়ে থেকে পিছলে একটি ব্যস্ত সড়কে গিয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানটি সান্তা ক্রুজ থেকে রওনা হয়ে এল অল্টো বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে বাইরে চলে যায়। কর্মকর্তারা জানান, প্রবল বৃষ্টি ও তুষারের কারণে রানওয়ে অত্যন্ত পিচ্ছিল ছিল, যার ফলে বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। বিমানটি রানওয়ে থেকে সড়কে পড়ে সেখানে থাকা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষ করে এবং প্রায় এক ডজন গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার সময় সড়কে ভারী যান চলাচল ছিল। এতে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং ৩০ জনের বেশি আহত হন। আহতদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিমানে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন মুদ্রিত নোট বহন করা হচ্ছিল। বিমানটি সড়কে পড়ার পর ২০, ৫০ ও ১০০ বলিভিয়ানোস মূল্যের নোট ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, কিছু মানুষ নোট সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। বলিভিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সভাপতি জানান, এসব নোট প্রতিস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়েছিল এবং বৈধ মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। তিনি বলেন, কোনো লেনদেনে এসব নোট গ্রহণ করা হবে না এবং নিরাপত্তা প্রোটোকল সক্রিয় করা হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী ভিড় নিয়ন্ত্রণে জলকামান ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে। কর্মকর্তারা নাগরিকদের ধৈর্য ধরার এবং ছড়িয়ে থাকা নোট না তোলার আহ্বান জানান।
অধিকারের প্রতিক্রিয়া
বলিভিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিমান বাহিনী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, বিমানটি তাদের বাহিনীর ছিল। এল অল্টো বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। দেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বলিভিয়ানা দে অ্যাভিয়াসিয়ন জানায়, এটি তাদের বিমান নয়। প্রাথমিক তদন্তে খারাপ আবহাওয়া ও তুষারাচ্ছন্ন রানওয়েকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিমানের ক্রু সদস্য এবং মাটিতে থাকা বেসামরিক নাগরিকরা রয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।
27 फरवरी 2026রিঙ্কু সিংয়ের পিতা খানচন্দ সিংয়ের মৃত্যু, লিভার ক্যানসারের চতুর্থ পর্যায়ে গ্রেটার নয়ডায় শেষ নিঃশ্বাস
![]()
ভারতীয় ক্রিকেটার রিঙ্কু সিংয়ের পিতা খানচন্দ সিংয়ের মৃত্যু হয়েছে। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর তিনি গ্রেটার নয়ডার যাথার্থ হাসপাতলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
খানচন্দ সিং লিভার ক্যানসারের চতুর্থ পর্যায়ে ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে গ্রেটার নয়ডার যাথার্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল, তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
টি২০ বিশ্বকাপের মাঝেই এই ঘটনা ঘটে। পিতার শেষ সময়ে তার সঙ্গে থাকার জন্য রিঙ্কু সিং দল থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে তিনি চেন্নাই থেকে গ্রেটার নয়ডায় পিতার সঙ্গে দেখা করতে যান এবং কিছু সময় কাটান। পরে তিনি আবার টিম ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি প্লেয়িং ইলেভেনের অংশ ছিলেন না। এর আগে অনুষ্ঠিত পাঁচটি ম্যাচে তিনি ভারতীয় দলের মূল প্লেয়িং ইলেভেনে ছিলেন।
পিতার মৃত্যুর পর রিঙ্কু সিং সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা শেয়ার করে নিজের শোক প্রকাশ করেন।
রিঙ্কু সিংয়ের শৈশব কেটেছে দারিদ্র্যের মধ্যে। তার পিতা খানচন্দ সিং সিলিন্ডার ডেলিভারির কাজ করতেন এবং রিঙ্কুও ছোটবেলায় তাকে কাজে সহায়তা করতেন। ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে পরিবারের আর্থিক অবস্থা সংগ্রামপূর্ণ ছিল।
২০২৪ সালে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল যেখানে খানচন্দ সিংকে কাঁধে সিলিন্ডার বহন করে ডেলিভারি করতে দেখা যায়। সেই ভিডিও সম্পর্কে রিঙ্কু সিং বলেন, তার পিতা কখনও বিশ্রাম নেননি এবং সারা জীবন পরিশ্রম ও সততার সঙ্গে কাজ করেছেন। তার এই পরিশ্রম ও নিষ্ঠাই রিঙ্কুকে অনুপ্রাণিত করেছে।
সামাজিক মাধ্যমে সমর্থকেরা রিঙ্কু সিং ও তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
27 फरवरी 2026ঝাড়খণ্ড নগর নিকায় নির্বাচন ২০২৬ ভোটগণনা শুরু পার্ষদদের ফল আজ মেয়র ও সভাপতি পদে ফল কাল
![]()
ঝাড়খণ্ড নগর নিকায় নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটগণনা ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। রাজ্যজুড়ে ৪৮টি শহুরে স্থানীয় নিকায়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। মোট ৬১.৮৪ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এই ৪৮টি নিকায়ের মধ্যে ৯টি নগর নিগম, ১৯টি নগর পরিষদ এবং ২০টি নগর পঞ্চায়েত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজ্যজুড়ে মোট ১,৩০৯টি টেবিলে ভোটগণনা চলছে।
জেলাভেদে ভোটের শতাংশে পার্থক্য লক্ষ্য করা গেছে। রাঁচিতে প্রায় ৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে, যা সর্বনিম্ন। সারাইকেলায় ৭৫ শতাংশের বেশি ভোটগ্রহণ হয়েছে, যা সর্বোচ্চ।
ওয়ার্ড পার্ষদদের ভোটগণনা প্রথমে শুরু হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মতে, প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে পুলিশ বাহিনী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের মোতায়েন করা হয়েছে এবং কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, গণনা প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক প্রবণতা সকাল প্রায় ১০টার মধ্যে আসতে শুরু করবে বলে জানানো হয়েছে। হাজরিবাগ, গড্ডা এবং পাকুড়ের মতো ছোট নগর নিকায়গুলির ফল আগে ঘোষণা করা হতে পারে। বড় নগর নিগমগুলির ফল দেরি সন্ধ্যা পর্যন্ত আসতে পারে।
আজ ওয়ার্ড পার্ষদদের ফল ঘোষণা করা হবে। মেয়র ও সভাপতি পদগুলির ফল আগামীকাল ঘোষণা করা হবে। মেয়র ও সভাপতি পদে মোট ৫৬২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওয়ার্ড পার্ষদ পদে ৫,৫৬২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট প্রায় ৬,১১৮ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
ভোটগণনা গভীর রাত পর্যন্ত চলতে পারে। জানানো হয়েছে, রাত ৮টার মধ্যে অধিকাংশ ফল স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে চূড়ান্ত সরকারি ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনের নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা করতে হবে।
এই নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে একাধিক নির্বাচনে ইভিএম বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইভিএমের ঘাটতি ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত কারণ দেখিয়ে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রায় ১৮ বছর পর ব্যালট পেপার পুনরায় ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০০-এর দশকে এর আগে ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হয়েছিল।
কিছু রাজনৈতিক দল ইভিএমের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছিল এবং ব্যালট পেপার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তবে কমিশন ব্যালট পেপারের উপরই আস্থা রাখে। ব্যালট পেপারের গণনায় সতর্কতা ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়ায় গণনায় কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।
রাজ্যের প্রধান নগর নিগমগুলিতে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাঁচি, ধানবাদ, জামশেদপুরের মানগো ও আদিত্যপুর এলাকা, হাজরিবাগ, দেবঘর, গিরিডিহ, চাস বোকারো এবং মেডিনীনগর পালামু শহরে মেয়র পদে নির্বাচন হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে শাসক দল ও বিরোধী দলের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে। কিছু স্থানে নির্দল প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
24 फरवरी 2026ভারত মণ্ডপম এআই সামিটে প্রতিবাদ মামলায় ইউথ কংগ্রেস সভাপতি উদয় ভানু চিব গ্রেপ্তার, আটজন আটক
![]()
নয়াদিল্লিতে এআই সামিট চলাকালীন ভারত মণ্ডপমে হওয়া প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘটনায় দিল্লি পুলিশ ইন্ডিয়ান ইউথ কংগ্রেসের জাতীয় সভাপতি উদয় ভানু চিবকে গ্রেপ্তার করেছে। এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের মতে, প্রতিবাদের সময় আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর উদয় ভানু চিবকে আদালতে পেশ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, তাঁকে সকাল ১০টার পর পাটিয়ালা হাউস কোর্টে পেশ করা হতে পারে। আদালত চত্বরে ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্যারামিলিটারি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় সব আইনি বিধি অনুসরণ করা হচ্ছে।
ইন্ডিয়ান ইউথ কংগ্রেস সভাপতির গ্রেপ্তারের পর কংগ্রেস নেতারা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ছত্তীসগঢ়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, দিল্লি পুলিশের মাধ্যমে উদয় ভানু চিব ও অন্যান্য যুব কর্মীদের গ্রেপ্তার বেআইনি এবং তিনি এর তীব্র নিন্দা করেন। তাঁর দাবি, এটি গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত।
ভূপেশ বাঘেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন যে গণতন্ত্রে যুবকদের আওয়াজ তোলা, প্রশ্ন করা এবং প্রতিবাদ করা অপরাধ নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যুব কংগ্রেস কর্মীরা কোনো সহিংসতা বা উস্কানি ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেছিলেন।
কংগ্রেসের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে হওয়া চুক্তি এবং যুবকদের সমস্যাগুলি তুলে ধরার জন্য এই প্রতিবাদ করা হয়েছিল। দলের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, যদি প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ হয়, তবে গ্রেপ্তার কেন করা হলো।
ভূপেশ বাঘেল আরও বলেছেন, সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ওঠা কণ্ঠ দমনে পুলিশি দমনপীড়নের আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে এবং এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত। কংগ্রেস নেতারা দাবি করেছেন, এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া সকল কর্মীকে অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে আরোপিত অভিযোগ প্রত্যাহার করতে হবে।
24 फरवरी 2026নয়াদিল্লিতে ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের জাতীয় গোলটেবিল সম্মেলন অনুষ্ঠিত
![]()
ভারতের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন আজ, মঙ্গলবার, নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় গোলটেবিল সম্মেলন’ আয়োজন করছে। এই ধরনের সম্মেলন সর্বশেষ ১৯৯৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রায় ২৭ বছর পর আয়োজিত এই বৈঠক জাতীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশী। সম্মেলনে সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজ্য নির্বাচন কমিশনাররা অংশ নেবেন। তাঁদের সঙ্গে আইনি ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সকল রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকরাও অংশগ্রহণ করবেন।
নির্বাচন কমিশনের মতে, সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো জাতীয় নির্বাচন সংস্থা এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও সুদৃঢ় করা। প্রশাসনিক, আইনি ও প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনায় সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পাবে। এই প্রেক্ষাপটে ‘সহযোগিতামূলক ফেডারেলিজম’-এর নীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হবে।
সম্মেলনের এজেন্ডায় প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া বিনিময়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর ব্যবহার, নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছতা সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সম্প্রতি চালু হওয়া ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘ইসিনেট’ (ECINET) সম্পর্কে উপস্থাপনা করবেন।
‘ইসিনেট’-এর লক্ষ্য হলো নির্বাচন ব্যবস্থাপনাকে আরও ডিজিটাল, দক্ষ এবং তথ্যভিত্তিক করা। বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ করার বিষয়টি এতে গুরুত্ব পাবে। ভোটার তালিকার নির্ভুলতা ও হালনাগাদকরণ নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হবে।
ভারতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনসমূহের গঠন সংবিধানের ৭৩তম ও ৭৪তম সংশোধনের অধীনে করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য স্থানীয় স্বশাসন প্রতিষ্ঠান—পঞ্চায়েত ও পৌর সংস্থার—নির্বাচন স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করা। জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ নির্বাচন ও বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত, আর স্থানীয় সংস্থার নির্বাচন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অধিক্ষেত্রে পড়ে।
সম্মেলনের মাধ্যমে দুই স্তরের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একরূপতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করা যায়।








