যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে স্লিপার AC বাসে আগুন, ৯ যাত্রীর মৃত্যু

নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে জেওয়ার বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে একটি স্লিপার AC বাসে আগুন লাগে। বাসে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন এবং দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নয়ডার যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে বুধবার রাতে জেওয়ার বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে একটি বেসরকারি স্লিপার AC বাসে আগুন লাগে। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। বাসটি মহোবার দিকে যাচ্ছিল। আগুনে ৯ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। বেশ কয়েকজন যাত্রী বাসের জানালা ভেঙে বাইরে ঝাঁপ দিয়ে প্রাণ বাঁচান।

দুর্ঘটনাটি বুধবার রাত প্রায় ১২টার দিকে যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে ঘটে। ঘটনাস্থল জেওয়ার বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে বলে জানা গেছে। যাত্রীদের নিয়ে বেসরকারি স্লিপার AC বাসটি মহোবার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় হঠাৎ বাসটিতে আগুন লাগে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন গোটা বাসকে গ্রাস করে।

বাসটিতে অনেক যাত্রী থাকায় আগুন লাগার পর পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। যাত্রীদের বাইরে বেরোনোর পথ খুঁজতে হয়। কয়েকজন যাত্রী প্রাণ বাঁচাতে বাসের জানালা ভেঙে সেখান দিয়ে বাইরে বেরিয়ে রাস্তায় ঝাঁপ দেন।

বাসে আগুন লাগার পর কয়েকজন যাত্রী বাইরে বেরিয়ে আসার সুযোগ পেলেও অনেকেই ভিতরে আটকে পড়েন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের সামলে নিরাপদে বাইরে বেরিয়ে আসার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনায় ৯ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

প্রত্যক্ষভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাসটিতে মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আশপাশে থাকা লোকজনও যাত্রীদের সাহায্যের চেষ্টা করেন।

বাসের ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য জানালাগুলি বাইরে বেরিয়ে আসার গুরুত্বপূর্ণ পথ হয়ে ওঠে। আগুন থেকে বাঁচতে বেশ কয়েকজন যাত্রী জানালা ভেঙে বাইরে ঝাঁপ দেন। এভাবেই তারা প্রাণ বাঁচান।

দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর উদ্ধার ও ত্রাণকাজ শুরু হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে দমকলের দলকে ডাকা হয়। ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য এক্সপ্রেসওয়েতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এই মুহূর্তে বাসে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। কী কারণে আগুন লাগে এবং কীভাবে তা এত দ্রুত বাসে ছড়িয়ে পড়ে, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। কর্মকর্তারা দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্যও সংগ্রহ করছেন।

এই দুর্ঘটনায় রাতের সময় দীর্ঘপথের বাসে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে স্লিপার বাসে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপদে এবং দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ঘটনায় আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং অন্যান্য পরিস্থিতি তদন্ত শেষ হওয়ার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে এই দুর্ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি দুর্ঘটনার পরিস্থিতি তদন্ত করছে।

 

Leave a comment