Airtel গ্রাহকদের জন্য ফের বড় পরিবর্তন। ১২ অগাস্ট থেকে একাধিক প্রিপেড রিচার্জ প্ল্যান সরিয়ে দিয়েছে টেলিকম সংস্থাটি। পাশাপাশি কিছু প্ল্যানের দামও বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে Chamber of Trade and Industry বা CTI। এর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার কাছে চিঠি পাঠিয়ে ট্যারিফ বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং সস্তা রিচার্জ প্ল্যান ফেরানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
২৯৯ টাকার Airtel প্ল্যান আর নেই?
CTI-এর দাবি অনুযায়ী, প্রতিদিন ১GB ডেটা-সহ ২৯৯ টাকার প্রিপেড প্ল্যানটি Airtel-এর তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে একই ধরনের ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের ৩৪৯ টাকার প্ল্যান নিতে হচ্ছে। অর্থাৎ, এন্ট্রি-লেভেল রিচার্জের খরচ প্রায় ১৬.৭ শতাংশ বেড়েছে বলে CTI-এর বক্তব্য।শুধু ২৯৯ টাকার প্ল্যানই নয়, ৫৭৯ টাকা, ৬১৯ টাকা এবং ৬৪৯ টাকার মতো কয়েকটি মিড-রেঞ্জ প্ল্যানও বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ৮৫৯ টাকার একটি প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে ৮৯৯ টাকা করা হয়েছে।
পরিবারের মাসিক খরচ বাড়ার আশঙ্কা
CTI-এর বক্তব্য, একটি পরিবারে যদি তিন-চারজন মোবাইল ব্যবহার করেন, তাহলে রিচার্জের দাম বাড়ার ফলে মাসিক যোগাযোগের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত, পড়ুয়া, প্রবীণ, ছোট ব্যবসায়ী এবং কম আয়ের পরিবারগুলির উপর এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।CTI-এর মতে, বর্তমানে মোবাইল ও ইন্টারনেট দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা হয়ে উঠেছে। তাই ট্যারিফ বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব সাধারণ মানুষের বাজেটের উপর পড়তে পারে।
সরকারের কাছে কী দাবি CTI-এর?
CTI-এর চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েলের বক্তব্য, মোবাইল রিচার্জের দাম ক্রমাগত বাড়ায় সাধারণ মানুষের উপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হচ্ছে। সংগঠনটি এই পরিস্থিতিকে ‘ডিজিটাল মুদ্রাস্ফীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সরকারের কাছে CTI-এর মূল দাবিগুলি হল—
বন্ধ হয়ে যাওয়া ২৯৯ টাকা-সহ সস্তা রিচার্জ প্ল্যান ফের চালু করা।
টেলিকম সংস্থাগুলির ট্যারিফ বৃদ্ধির উপর নিয়ন্ত্রণ আনা।
ট্যারিফ সংক্রান্ত বিষয়ে TRAI-কে আরও ক্ষমতা দেওয়া।
কম আয়ের গ্রাহকদের জন্য সস্তা শুধুমাত্র-কলিং প্ল্যান চালু করা।
সরকারি অনুমোদন ছাড়া ট্যারিফ বাড়ানোর প্রবণতা রুখতে ব্যবস্থা নেওয়া।
১৫ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ না হলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
CTI জানিয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সরকারের তরফে কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ না হলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিবাদে নামার কথা ভাবা হচ্ছে। সংগঠনটির দাবি, বাড়তি মোবাইল খরচের চাপ শুধু সাধারণ গ্রাহকদের নয়, ছোট ব্যবসায়ীদের উপরও পড়ছে। কারণ কর্মী, ক্রেতা ও সরবরাহকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে তাঁদের নিয়মিত মোবাইল পরিষেবা ব্যবহার করতে হয়।
Airtel-এর একাধিক প্রিপেড রিচার্জ প্ল্যান বন্ধ ও দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে Chamber of Trade and Industry (CTI)। সংস্থাটির দাবি, ২৯৯ টাকার ১GB/দিনের প্ল্যান বন্ধ করে ৩৪৯ টাকার প্ল্যানকে বিকল্প করা হয়েছে। সস্তা রিচার্জ ফিরিয়ে আনা এবং ট্যারিফ বৃদ্ধিতে নিয়ন্ত্রণের দাবিতে কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হয়েছে CTI।









