প্লেব্যাক সিংগিং থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিলেন অরিজিত সিং

বলিউডের প্লেব্যাক গায়ক অরিজিত সিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্লেব্যাক সিংগিং থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। প্রায় ১৫ বছরের ক্যারিয়ারের পর নেওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে তিনি নতুন কোনো প্লেব্যাক সিংগিং অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করবেন না বলে জানান।

বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক অরিজিত সিংকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি আলোচিত আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তার প্লেব্যাক সিংগিং ক্যারিয়ার থেকে সরে দাঁড়ানোর দাবি করা হয়।

এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অরিজিত সিং প্লেব্যাক সিংগিং থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। প্রায় ১৫ বছরের ক্যারিয়ারের পর নেওয়া এই সিদ্ধান্তকে সংগীত জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে অরিজিত সিং তার সিদ্ধান্তের কথা জানান। নববর্ষ উপলক্ষে প্রকাশিত ওই বার্তায় তিনি শ্রোতা ও অনুরাগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জানান যে দীর্ঘ সময় ধরে পাওয়া ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে ভবিষ্যতে তিনি আর কোনো নতুন প্লেব্যাক সিংগিং অ্যাসাইনমেন্ট গ্রহণ করবেন না।

তার এই ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং কেউ কেউ এর সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। কিছু ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।

নিজের বিবৃতিতে অরিজিত সিং বলেন যে এই যাত্রা তার জন্য স্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং তিনি এটি নিজের জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে দেখেন। তিনি জানান যে সিদ্ধান্তটি ভেবেচিন্তে এবং আত্মিক সন্তুষ্টির সঙ্গে নেওয়া হয়েছে, যদিও অবসরের পেছনে কোনো ব্যক্তিগত বা পেশাগত কারণ তিনি প্রকাশ করেননি।

সাম্প্রতিক সময়ে বিনোদন জগতে একাধিক শিল্পীর কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর আগে গায়িকা নেহা কক্কর ব্যক্তিগত কারণে অনির্দিষ্টকালের বিরতির কথা জানান এবং কৌতুকশিল্পী জাকির খান স্বাস্থ্যগত কারণে দীর্ঘ বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দেন। এই প্রবণতাকে শিল্পীদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অরিজিত সিং ২০০৯ সালে চলচ্চিত্র ‘মার্ডার ২’-এর জন্য গান রেকর্ড করার মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত গান ‘ফির মোহব্বত করনে চলা হ্যায় তু’ তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর বিভিন্ন ঘরানার গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় ছিলেন। তার কণ্ঠে রেকর্ড করা কিছু গান ভবিষ্যতে মুক্তি পেতে পারে, যেগুলোর রেকর্ডিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

 

Leave a comment