ড্রোন ও জাহাজের তৎপরতা! তাইওয়ান সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে কি চিন?

তাইওয়ানের আকাশ ও সমুদ্রে চিনা ড্রোন ও জাহাজের উপস্থিতি ঘিরে উদ্বেগ। নজরদারি বাড়াচ্ছে কি চিন? জানুন বিস্তারিত।

তাইওয়ান ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াল চিনের সামরিক তৎপরতা। আকাশ ও সমুদ্র—দু’দিকেই একসঙ্গে চিনা উপস্থিতির ইঙ্গিত মিলতেই ফের প্রশ্ন উঠছে, তবে কি সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার করছে বেজিং?

ভোরের আকাশে চিনা ড্রোনের আনাগোনা

তাইওয়ানের জাতীয় সুরক্ষা মন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ছ’টা নাগাদ তাইওয়ানের আকাশসীমায় ছ’টি চিনা ড্রোন ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। এই ড্রোনগুলি নির্দিষ্ট সময় ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

সমুদ্রেও সক্রিয় চিন

শুধু আকাশেই নয়, তাইওয়ান সাগরেও একযোগে চিনা উপস্থিতির ছবি ধরা পড়েছে। মন্ত্রকের দাবি অনুযায়ী,

আটটি চিনা জলসুরক্ষা বাহিনীর ভেসেল

একটি চিনা জাহাজ

তাইওয়ানের সংলগ্ন সমুদ্র অঞ্চলে অবস্থান করছিল। ফলে আকাশ ও জল—দু’টি স্তরেই নজরদারির আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে।

নজরদারি না কি শক্তি প্রদর্শন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সমন্বিত তৎপরতা নিছক কাকতালীয় নয়। তাইওয়ানকে চাপের মধ্যে রাখতেই চিন বারবার এভাবে ড্রোন ও জাহাজ পাঠিয়ে শক্তি প্রদর্শনের কৌশল নিচ্ছে বলে মত কূটনৈতিক মহলের।

তাইওয়ানের পাল্টা প্রস্তুতি

যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত তাইওয়ানও। জাতীয় সুরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, গোটা ঘটনার উপর নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

তাইওয়ানের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় একযোগে চিনা ড্রোন ও জাহাজের উপস্থিতি ঘিরে চাঞ্চল্য। জাতীয় সুরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, বৃহস্পতিবার ভোরেই ধরা পড়েছে একাধিক ড্রোন ও ভেসেল।

Leave a comment