দিল্লির সরকারি আইটিআই ভর্তি ২০২৬-এর অনলাইন আবেদন শুরু ৮ জুন থেকে

দিল্লি সরকারের সরকারি আইটিআই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদন ৮ জুন থেকে শুরু হচ্ছে। প্রার্থীরা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও বৃত্তিমূলক ট্রেডে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সরকারি পোর্টালে উপলব্ধ থাকবে।

দিল্লির সরকারি আইটিআই প্রতিষ্ঠানগুলিতে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অনলাইন আবেদন ৮ জুন থেকে শুরু হবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও বৃত্তিমূলক ট্রেডে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অনলাইন মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

দিল্লি সরকারের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি শিক্ষা বিভাগ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য আইটিআই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করছে। প্রার্থীরা ৮ জুন থেকে সরকারি পোর্টালে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ডিজিটাল হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বাড়িতে বসেই রেজিস্ট্রেশন এবং ভর্তি-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।

দিল্লির সরকারি শিল্প প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলিতে প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ও দক্ষতাভিত্তিক কোর্সে ভর্তি হন। এ বছরও বিপুল সংখ্যক আসনে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

উপলব্ধ প্রধান ট্রেডগুলির মধ্যে রয়েছে বিউটি অ্যান্ড ওয়েলনেস, অ্যাপারেল, অটোমোটিভ, ক্যাপিটাল গুডস অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং, কনস্ট্রাকশন, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, ফুড ইন্ডাস্ট্রি, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি, হেলথ কেয়ার, আইটি অ্যান্ড আইটিইএস, মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট, অফিস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফ্যাসিলিটি ম্যানেজমেন্ট, প্লাম্বিং এবং পাওয়ার সেক্টর-সংক্রান্ত কোর্স।

শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগ্রহ ও কর্মজীবনের লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেড নির্বাচন করতে পারবেন। এসব ট্রেডের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান করা, যাতে প্রশিক্ষণ শেষে তারা শিল্পক্ষেত্রে চাকরি পেতে পারেন অথবা নিজস্ব ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

দিল্লি আইটিআই ভর্তি প্রক্রিয়া একাধিক ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথমে প্রার্থীদের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর মেধাতালিকা বা র‌্যাঙ্ক প্রস্তুত করা হবে, যেখানে শিক্ষার্থীদের আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকবে। পরে কাউন্সেলিং অনুষ্ঠিত হবে এবং আসন বরাদ্দের ভিত্তিতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আবেদন করার সময় সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে পরবর্তী পর্যায়ে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়।

ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় শিক্ষার্থীদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে আসন বরাদ্দপত্র, অস্থায়ী ভর্তি স্লিপ, সমস্ত মূল শিক্ষাগত সনদপত্র, স্ব-প্রত্যয়িত ফটোকপি, মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট, র‌্যাগিং-বিরোধী শপথপত্র, চরিত্র সনদ, আধার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আধারের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পাসবুক বা বাতিল চেকের অনুলিপি।

ভর্তির সময় প্রক্রিয়াকে সহজ ও দ্রুত করতে প্রয়োজনীয় নথিগুলি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভর্তি-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ তারিখ প্রার্থীরা সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখতে পারবেন।

 

Leave a comment