মঙ্গলবার সকালে ধূলাগড়ের কাছে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে কোলাঘাটমুখী লেনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়ায়। চলন্ত অবস্থায় একটি গাড়িতে আগুন ধরে যায় এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি আগুনের লেলিহান শিখায় গ্রাস হয়ে যায়। ব্যস্ত জাতীয় সড়কের মাঝখানে এই ঘটনায় সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় যান চলাচল।
আগুন দেখে দ্রুত নেমে প্রাণ বাঁচালেন যাত্রীরা
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়ি চলার সময় হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই গাড়ির ভিতরে থাকা যাত্রীরা দ্রুত নেমে পড়েন। তাঁদের এই তৎপরতার ফলেই বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনায় কেউ আহত না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
কয়েক মিনিটেই ছাই গাড়ি, আতঙ্কে পথচলতি মানুষ
আগুন লাগার পর তা দ্রুত গাড়ির একাংশ থেকে পুরো গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গাড়িটি। জাতীয় সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী বহু মানুষ দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য দেখেন। আগুনের তীব্রতায় অল্প সময়ের মধ্যেই গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
বারবার কেন ঘটছে এমন অগ্নিকাণ্ড?
গত কয়েক মাসে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে আগুন লাগার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে যানবাহনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, বৈদ্যুতিক ত্রুটি কিংবা ইঞ্জিন সংক্রান্ত সমস্যা এমন ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে।
দমকল-পুলিশের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় সাঁকরাইল থানার পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি জাতীয় সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজও শুরু হয়। কিছু সময়ের জন্য যানজটের সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা, তদন্ত শুরু
আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে দমকল ও পুলিশের অনুমান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।
হাওড়ার ধূলাগড় এলাকায় ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে চলন্ত একটি গাড়িতে আচমকা আগুন লেগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো গাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। তবে যাত্রীরা সময়মতো নেমে যাওয়ায় বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকল ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।










