ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি ২৭ আগস্ট থেকে লন্ডনের ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। হেডিংলেতে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে জয়ের পর ইংল্যান্ড সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট জয়ের পর সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সামনে সিরিজ সমতায় ফেরাতে জয় পাওয়া ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।
হেডিংলেতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টটি মাত্র তিন দিনে শেষ হয়েছিল। ইংল্যান্ডের বোলাররা পাকিস্তানের ব্যাটারদের দুই ইনিংসেই চাপে রেখেছিলেন এবং শুরু থেকেই স্বাগতিক দল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
লর্ডস টেস্টের আগে পাকিস্তানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর অধিনায়ক বাবর আজমের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন। আঙুলের চোটের কারণে তিনি হেডিংলে টেস্টে খেলতে পারেননি। তবে লর্ডস টেস্টের আগে নেটে ব্যাটিং করেছেন এবং ফিটনেস নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন।
ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টটি ২৭ থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত লর্ডসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। প্রতিদিন ভারতীয় সময় দুপুর ৩:৩০টায় খেলা শুরু হবে এবং প্রায় আধ ঘণ্টা আগে টস হবে। লর্ডসের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ম্যাচ শুরু হবে।
-
ম্যাচ: ইংল্যান্ড বনাম পাকিস্তান, দ্বিতীয় টেস্ট
-
তারিখ: ২৭ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট ২০২৬
-
স্থান: লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন
-
ভারতীয় সময়: দুপুর ৩:৩০টা থেকে
-
টস: দুপুর ৩:০০টা
-
ভারতে টিভি সম্প্রচার: Sony Sports Network
-
অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিং: Sony LIV
ভারতে ক্রিকেটপ্রেমীরা Sony Sports Network-এ ম্যাচটির সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পারবেন। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে Sony LIV-এর মাধ্যমে ম্যাচটির লাইভ স্ট্রিমিং উপলব্ধ থাকবে। ইংল্যান্ডে ম্যাচের প্রতিটি বলের লাইভ কভারেজ Sky Sports Cricket-এ পাওয়া যাবে। এছাড়া BBC-এর প্ল্যাটফর্মে দিনের খেলার হাইলাইটস দেখা যাবে।
![]()
লর্ডসের মাঠ পাকিস্তানের জন্য ঐতিহাসিকভাবে ভালো। দলটি এই মাঠে নিজেদের শেষ দুই টেস্টেই জয় পেয়েছে। ২০১৬ ও ২০১৮ সালে পাকিস্তান লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল। প্রথম টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পরও এই মাঠে পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করবে।
ইংল্যান্ডের সামনে প্রথম টেস্টের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্য থাকবে। হেডিংলেতে দলের পেস বোলাররা ভালো বোলিং করেছিলেন এবং পাকিস্তানের ব্যাটিংকে ধারাবাহিকভাবে চাপে রেখেছিলেন।
প্রথম টেস্টে অলি রবিনসন ও জোশ টাং প্রভাবশালী বোলিং করেছিলেন। জোফ্রা আর্চার ও গাস অ্যাটকিনসনের গতিও পাকিস্তানের ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেছিল।
পাকিস্তানের জন্য বাবর আজমের উপস্থিতি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে। প্রথম টেস্টে তাঁর অনুপস্থিতির প্রভাব দলের ব্যাটিংয়ে স্পষ্ট ছিল। বাবর ফিরলে টপ অর্ডারে অভিজ্ঞতা ও স্থিরতা যোগ হওয়ার আশা রয়েছে।
তবে চূড়ান্ত প্লেয়িং ইলেভেনে তাঁর জায়গা নিয়ে দলীয় ব্যবস্থাপনাকে কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জো রুট প্রথম টেস্টের সাফল্যের পর দলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাইবেন।










