সত্তরের দশকের বলিউডে একের পর এক সুপারহিট ছবি দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন এক অভিনেত্রী। তাঁর সৌন্দর্য ও অভিনয়ে মুগ্ধ ছিলেন শুধু দর্শকই নন, ইন্ডাস্ট্রির একাধিক জনপ্রিয় অভিনেতাও। একসময় তাঁর সঙ্গে সঞ্জীব কুমারের সম্পর্ক নিয়েও জোর চর্চা হয়েছিল। এমনকি সঞ্জীব তাঁকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি অভিনেত্রী। পরে এমন এক তারকার প্রেমে পড়েন, যিনি আগে থেকেই বিবাহিত এবং চার সন্তানের বাবা। চিনতে পারছেন তাঁকে?
সঞ্জীব কুমারের প্রস্তাব কেন ফিরিয়েছিলেন?
অভিনেত্রী আর কেউ নন, বলিউডের ‘ড্রিম গার্ল’ হেমা মালিনী। সত্তরের দশকে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। সেই সময় সঞ্জীব কুমারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে বলিউডে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সঞ্জীব কুমার বিয়ের পর হেমাকে অভিনয় ছেড়ে সংসারে মন দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু নিজের কেরিয়ার নিয়ে অত্যন্ত সচেতন হেমা সেই শর্ত মেনে নিতে চাননি।পরবর্তীতে অভিনেত্রী এই ধরনের প্রত্যাশাকে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা হিসেবেও ব্যাখ্যা করেছিলেন বলে জানা যায়।
বিয়ের সিদ্ধান্তই নাকি ছিল বড় চ্যালেঞ্জ
এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী জানিয়েছিলেন, তাঁর জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল কাকে বিয়ে করবেন, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া। শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনে আসেন ধর্মেন্দ্র।দুজনের প্রেমের গল্পও ছিল বেশ দীর্ঘ। ১৯৭০ সালে ‘তু হাসিন ম্যায় জওয়ান’ ছবির সেটে তাঁদের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা শুরু হয় বলে জানা যায়।
বিবাহিত ধর্মেন্দ্রর প্রেমে পড়েন হেমা
হেমা যখন ধর্মেন্দ্রর প্রেমে পড়েন, তখন অভিনেতা আগে থেকেই প্রকাশ কৌরের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। তাঁদের চার সন্তান—সানি দেওল, ববি দেওল, বিজেতা ও অজেয়তা।এই পরিস্থিতির কারণে সম্পর্কটি সহজ ছিল না। কিন্তু ধর্মেন্দ্র ও হেমা দুজনেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে শেষ পর্যন্ত দৃঢ় ছিলেন।
পাঁচ বছর প্রেমের পর বিয়ে
প্রায় পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ১৯৮০ সালে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন হেমা ও ধর্মেন্দ্র। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদে সম্মত না হওয়ায় তাঁদের বিয়ে ঘিরে আইনি ও সামাজিক জটিলতার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।শেষ পর্যন্ত ধর্মেন্দ্র ও হেমা তাঁদের সম্পর্ককে পরিণতি দেন। তাঁদের বিয়ে বলিউডের অন্যতম আলোচিত তারকা-বিয়েতে পরিণত হয়।
দুই কন্যার মা হন হেমা
বিয়ের পর হেমা ও ধর্মেন্দ্রর সংসারে দুই কন্যাসন্তান আসে। ১৯৮১ সালের ২ নভেম্বর তাঁদের প্রথম কন্যা এশা দেওলের জন্ম হয়। কয়েক বছর পর ১৯৮৫ সালের ২৮ জুলাই জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় কন্যা অহনা দেওল।আজও হেমা-ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনি বলিউডের অন্যতম আলোচিত সম্পর্কের গল্প হিসেবে উঠে আসে।
সত্তরের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনী একসময় অভিনেতা সঞ্জীব কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন বলে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। সঞ্জীবের বিয়ের প্রস্তাবও তিনি ফিরিয়ে দেন। পরে অভিনেত্রী প্রেমে পড়েন ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে—যিনি তখন বিবাহিত এবং চার সন্তানের বাবা। দীর্ঘ প্রেমের পর ১৯৮০ সালে তাঁরা বিয়ে করেন।








