Har Ghar Tiranga: নদী-খাঁড়ি পেরিয়ে সুন্দরবনের দ্বীপে পৌঁছল তিরঙ্গা, রেখা পাত্রের উদ্যোগে ঘরে ঘরে দেশপ্রেমের বার্তা

সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দ্বীপে পৌঁছল ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জাতীয় পতাকা তুলে দিলেন রেখা পাত্র। জানুন উদ্যোগের বিস্তারিত।

নদী, খাঁড়ি আর বিস্তীর্ণ জলভূমির বাধা পেরিয়েও সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দ্বীপে পৌঁছে গেল স্বাধীনতা দিবসের দেশপ্রেমের বার্তা। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বীপাঞ্চলের বাসিন্দাদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া হল জাতীয় পতাকা। 

দুর্গম দ্বীপেও পৌঁছল তিরঙ্গা

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি। মূল ভূখণ্ড থেকে দূরে সুন্দরবনের নদীবেষ্টিত এলাকাগুলিতেও যাতে এই কর্মসূচির প্রভাব পৌঁছয়, সেই লক্ষ্যেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। মঙ্গলবার প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে দ্বীপাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় যান রেখা পাত্র।বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়। স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব এবং জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধার কথাও তুলে ধরা হয়।

নদী-খাঁড়ির বাধা পেরিয়েই প্রশাসনের অভিযান

সুন্দরবনের ভৌগোলিক অবস্থান বরাবরই প্রশাসনিক কাজের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। নদী ও খাঁড়িতে ঘেরা একাধিক দ্বীপে পৌঁছতে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সেই বাধা অতিক্রম করেই প্রত্যন্ত এলাকায় সরকারি কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এই উদ্যোগে খুশি দ্বীপাঞ্চলের বাসিন্দারাও। তাঁদের ঘরের সামনে তিরঙ্গা ওড়ানোর সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি স্বাধীনতার ইতিহাস ও দেশের প্রতি নাগরিকদের দায়বদ্ধতার কথাও জানানো হয়।

দেশাত্মবোধের সঙ্গে সম্প্রীতির বার্তা

‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে শুধু জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। প্রত্যন্ত দ্বীপের বাসিন্দারাও দেশের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সমান অংশীদার—এই ভাবনাই সামনে রাখা হয়েছে।বয়স, পেশা কিংবা ভৌগোলিক দূরত্বের পার্থক্য ভুলে প্রত্যেক পরিবারকে এই জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসের আবহে নতুন মাত্রা সুন্দরবনে

দ্বীপ থেকে দ্বীপে, বাড়ি থেকে বাড়িতে তিরঙ্গা পৌঁছে যাওয়ায় সুন্দরবনেও তৈরি হয়েছে স্বাধীনতা দিবসের আবহ। মূল ভূখণ্ড থেকে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন হলেও দেশের সঙ্গে তাঁদের আত্মিক সম্পর্ক যে অটুট, এই কর্মসূচির মাধ্যমে সেই বার্তাই আরও স্পষ্ট হয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসের আগে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চলে পৌঁছে দিল বসিরহাট মহকুমা প্রশাসন। হিঙ্গলগঞ্জের বিধায়িকা রেখা পাত্র প্রশাসনিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেন। দুর্গম দ্বীপের বাসিন্দাদেরও স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে সামিল করাই ছিল এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

Leave a comment