ধর্মেন্দ্র শেষ দিন: ৯০তম জন্মদিনের ঠিক কয়েকদিন আগে ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনী বলেন, শেষ মুহূর্তগুলো ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নায়ক জীবিতকালীন কখনও দুর্বল বা অসুস্থ হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করতে চাননি। হেমা আরও জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্রের সাহিত্যকর্ম প্রকাশ না হওয়ায় তাঁকে তিক্ততা ছিল। পরিবারের নিকটনিষ্ঠতা এবং ভক্তদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে তারা সেই সময়কার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

ধর্মেন্দ্রর শেষ দিনগুলো: হেমা মালিনীর বেদনার মুহূর্ত
হেমা মালিনী জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্রর শেষ দিনগুলো ছিল অত্যন্ত কঠিন। তিনি নিজের যন্ত্রণাকে লুকিয়ে রাখতেন এবং পরিবারকেও জানাতেন না। নায়িকার কথায়, “ধর্মেন্দ্র নিজেকে দুর্বল বা অসুস্থ হিসেবে কখনও দেখাতে চাইতেন না। আমরা তাও সহ্য করতে পারছিলাম না।”চলচ্চিত্র নির্মাতা হামাদ আল রেয়ামি হেমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানিয়েছেন, হেমার চোখে ভাঙা মনোবৃত্তি দেখা গিয়েছিল। এটি দেখার অভিজ্ঞতা ছিল হৃদয়বিদারক।
সাহিত্যকর্ম প্রকাশ না হওয়ায় হেমার দুঃখ
হেমা বলেছেন, ধর্মেন্দ্র জীবিত থাকাকালীন তাঁর লেখা কখনও প্রকাশিত হয়নি। “এখন অপরিচিতরা তাঁর লেখা নিয়ে বই লিখবে, তবে জীবিত থাকাকালীন তাঁর শব্দ প্রকাশ পায়নি,” তিনি বলেন।নায়িকা আরও বলেন, তিনি সবসময় ধর্মেন্দ্রকে কবিতা ও লেখা প্রকাশের জন্য উৎসাহিত করতেন, কিন্তু তিনি সবসময় বলেন, "এখন না, আগে আমাকে আরও কিছু লেখা শেষ করতে দাও।"

ভক্তদের শেষ দেখা না পাওয়ায় হেমার ব্যথা
হেমা জানান, ধর্মেন্দ্র নিজেকে কখনও দুর্বল দেখাতে চাননি। তাই ভক্তরা শেষবার তাঁকে দেখতে পাননি। “ব্যক্তি চলে যাওয়ার পরে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা পরিবারই নিয়েছে,” তিনি উল্লেখ করেন।হেমা মালিনী এও জানিয়েছেন, নায়ক ছিলেন সাহসী, কিন্তু শেষ দিনগুলো ছিল নিষ্ঠুর এবং বেদনাদায়ক।

আবেগঘন স্মৃতিচারণ: ঈশ্বরের করুণা
হেমা বলছেন, "যা ঘটেছে তা ঈশ্বরের করুণা, কারণ কেউ সহ্য করতে পারত না যে তাঁকে এভাবে দেখা যাক। শেষ দিনগুলো ছিল কঠিন এবং আমরা সহ্য করতে পারিনি।"হেমার কথায় স্পষ্ট, ধর্মেন্দ্রের শেষ দিনগুলোর বেদনাদায়ক মুহূর্তগুলো তাঁকে আজও মর্মাহত করে।













