হাওড়ায় আবাসনে নকল মোবিল তৈরির কারখানার হদিশ, পুলিশের অভিযানে বিপুল ভেজাল পণ্য উদ্ধার, আটক ২

হাওড়ার বাঁকড়া এলাকায় আবাসনের ভিতরে চলা নকল মোবিল তৈরির কারবারে পুলিশের অভিযান। বিপুল ভেজাল পণ্য উদ্ধার, নামী ব্র্যান্ডের মোড়ক ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে দুই ব্যক্তি আটক।

বাইরে থেকে দেখে বোঝার কোনও উপায় ছিল না যে ভিতরে চলছে জালিয়াতির কারবার। নামী কোম্পানির বোতল ও লেবেল ব্যবহার করে নকল মোবিল তৈরি করে বাজারে বিক্রির অভিযোগে হাওড়ার বাঁকড়া এলাকার একটি আবাসনে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভেজাল মোবিল উদ্ধার হওয়ার পাশাপাশি দুই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।

গোপন খবরের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাঁকড়া নয়াবস্তি এলাকার একটি আবাসনে হানা দেওয়া হয়। সেখানে একটি ভাড়া করা ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ নকল মোবিল, খালি ব্র্যান্ডেড জার, লেবেল এবং প্যাকেজিং সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

নামী সংস্থার মোড়কে চলত প্রতারণা

তদন্তে উঠে এসেছে, সাধারণ উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি করা নকল মোবিল আসল ব্র্যান্ডের বোতল ও জারে ভরে সিল করে বাজারে বিক্রি করা হতো। প্যাকেজিং এতটাই নিখুঁত ছিল যে সাধারণ ক্রেতার।

দীর্ঘদিন ধরে চলছিল অবৈধ ব্যবসা

অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে এই জাল কারবার চালিয়ে আসছিল। কম খরচে তৈরি নকল মোবিলকে নামী ব্র্যান্ডের পণ্য হিসেবে বেশি দামে বাজারে বিক্রি করে মোটা অঙ্কের লাভ করা হচ্ছিল।

দুই অভিযুক্তকে আটক

ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের পরিচয় এম ডি জিসান এবং শেখ মোবারক আলি বলে জানা গেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারেন।

তদন্তে সরবরাহ চক্র

পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে, এই নকল মোবিল কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হতো এবং কোন কোন বাজারে তা বিক্রি করা হয়েছে। পাশাপাশি এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে আরও কারা যুক্ত, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।

হাওড়ার একটি আবাসনের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল নামী সংস্থার নামে নকল মোবিল তৈরির কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল মোবিল, ব্র্যান্ডেড মোড়ক ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

Leave a comment