Independence Day: স্বাধীনতা দিবসের আবহে তেরঙ্গার রঙে সেজে উঠল মালদহের সীমান্তবর্তী এলাকা। ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার ১২ নম্বর ব্যাটেলিয়ন বিএসএফের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বাইক র্যালি। জাতীয় পতাকা হাতে সীমান্তের পথে জওয়ানদের এই যাত্রা ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও দেখা যায় প্রবল উৎসাহ।

আইহো থেকে সিংগাবাদ, ১৫ কিমি বাইক র্যালি
হবিবপুর ব্লকের আইহো বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয় ‘হর ঘর তিরঙ্গা বাইক র্যালি’। আইবিবি রোড ধরে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা ও বিএসএফ ক্যাম্প পেরিয়ে র্যালিটি পৌঁছয় বিওপি সিংগাবাদে। ১২ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কমান্ড্যান্ট প্রেম কুমারের উপস্থিতিতে এই কর্মসূচির সূচনা হয়।
জাতীয় পতাকা হাতে পথে জওয়ানরা
বাইক র্যালিতে অংশ নেওয়া বিএসএফ জওয়ানদের প্রত্যেকের হাতেই ছিল জাতীয় পতাকা। সীমান্তের পথ ধরে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের কণ্ঠে ওঠে ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি। ফলে গোটা এলাকায় তৈরি হয় উৎসবমুখর দেশাত্মবোধের পরিবেশ।

৩৪ জন বিএসএফ সদস্যের অংশগ্রহণ
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই র্যালিতে মোট ৩৪ জন বিএসএফ সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। তাঁদের পাশাপাশি মালদহ জেলা পুলিশের কর্মী, পঞ্চায়েত সদস্য এবং সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষও কর্মসূচিতে যোগ দেন।ঋষিপুর, আইহো-সহ আশপাশের গ্রামের বাসিন্দাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। জওয়ানদের এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যায়।
কী উদ্দেশ্য ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির?
বিএসএফ কমান্ড্যান্ট প্রেম কুমার জানান, এই বাইক র্যালির অন্যতম উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। একইসঙ্গে জাতীয় পতাকার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা ও গর্ববোধ আরও বাড়ানোও এই কর্মসূচির লক্ষ্য।

প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা তোলার বার্তা
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহিত করা হয়। প্রত্যন্ত সীমান্ত অঞ্চলে এমন কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিএসএফের যোগাযোগ ও সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

স্বাধীনতা দিবসের আগে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে মালদহের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশেষ বাইক র্যালির আয়োজন করল বিএসএফ। আইহো থেকে সিংগাবাদ পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার পথে জাতীয় পতাকা হাতে বাইক চালিয়ে অংশ নেন জওয়ানরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন পুলিশকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারাও।











