বাইরে ঝুলছে ডাব, চলছে ফাস্টফুড বিক্রি। দেখলে মনে হবে আর পাঁচটা সাধারণ খাবারের দোকানের মতোই। কিন্তু অভিযোগ, সেই দোকানের আড়ালেই চলছিল বেআইনি মদের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ আচমকা অভিযান চালাতেই সামনে আসে গোটা বিষয়টি।

ডাবের দোকানের আড়ালেই মদের কারবারের অভিযোগ
জলপাইগুড়ি শহরের নির্দিষ্ট একটি এলাকায় ডাব ও ফাস্টফুড বিক্রির নাম করে দোকান চালানো হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বাইরে থেকে সাধারণ ব্যবসা বলেই মনে হলেও, অভিযোগ ছিল দোকানের ভিতরে গোপনে বেআইনি মদের লেনদেন চলত।স্থানীয়দের নজর এড়িয়ে এই কারবার চলছিল বলে অভিযোগ। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় সন্দেহজনকভাবে লোকজনের আনাগোনা বাড়ত বলেও জানা গিয়েছে।
গোপন তথ্য পেয়েই নড়েচড়ে বসে কোতোয়ালি থানা
দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বেআইনি কারবারের খবর পুলিশের কাছে পৌঁছতেই তদন্ত শুরু হয়। গোপন সূত্রে নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর কোতোয়ালি থানার সাদা পোশাকের পুলিশের একটি বিশেষ দল প্রথমে এলাকাটি পরিদর্শন করে।এরপর সুযোগ বুঝে ওই দোকানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। আচমকা পুলিশি হানায় দোকানের ভিতরে লুকিয়ে রাখা প্রচুর পরিমাণ বেআইনি মদ উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

বাজেয়াপ্ত মদ নষ্ট, ভেঙে দেওয়া হল দোকানের পরিকাঠামো
অভিযানের পর উদ্ধার হওয়া বেআইনি মদ আইনি নিয়ম মেনে নষ্ট করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বেআইনি কারবার চালানোর কাজে যে পরিকাঠামো ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেটিও ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জায়গায় খাবারের দোকানের আড়ালে এমন কারবারের অভিযোগ সামনে আসায় স্থানীয়দের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

বেআইনি কারবারের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে, বার্তা পুলিশের
কোতোয়ালি থানার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বা খাবারের ব্যবসার আড়ালে কোনো ধরনের বেআইনি বা সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না।শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বেআইনি মদের কারবার বন্ধ করতে আগামী দিনেও জলপাইগুড়ির বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক অভিযান চালানো হবে বলে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।

জলপাইগুড়ি শহরে ডাব ও ফাস্টফুড বিক্রির আড়ালে বেআইনি মদের কারবার চলার অভিযোগে অভিযান চালাল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আচমকা হানা দিয়ে দোকান থেকে বেআইনি মদ বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে আইনি নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া মদ নষ্ট করা হয় এবং কারবারে ব্যবহৃত পরিকাঠামো ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।











