বিহারে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণকে ঘিরে জনতা দল (ইউনাইটেড) তাদের প্রত্যাশার কথা প্রকাশ করেছে। দলের রাজ্য সভাপতি উমেশ কুশवाहা জানিয়েছেন, নতুন সরকারে তারা ১৬টি মন্ত্রিপদের আশা করছে।
পাটনা: বিহারের রাজনীতি আবারও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রস্তাবিত Bihar Cabinet Expansion 2026-এর আগে শাসক জোটের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। জনতা দল (ইউনাইটেড) নতুন সরকারে ১৬টি মন্ত্রিপদের দাবি তুলে জোটের অভ্যন্তরীণ সমীকরণকে সামনে নিয়ে এসেছে।
জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর বিহার রাজ্য ইউনিটের সভাপতি উমেশ কুশवाहা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভায় তাদের দল ১৬টি আসনের প্রত্যাশা করছে। এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে এবং জোটের বিভিন্ন সহযোগী দল নিজেদের অংশীদারিত্ব নিয়ে সক্রিয় রয়েছে। সূত্রের দাবি, এই দাবি জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (NDA)-এর অভ্যন্তরে ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে চলা আলোচনার অংশ, যেখানে প্রতিটি সহযোগী দল আরও কার্যকর অংশীদারিত্ব চায়।
![]()
গত মাসে বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটে, যখন নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার পথে যান। এরপর সম্রাট চৌধুরী রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে মন্ত্রিসভা ছোট আকারের, যেখানে জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর সিনিয়র নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী এবং বিজেন্দ্র প্রসাদ উপমুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। প্রস্তাবিত সম্প্রসারণের মাধ্যমে সরকার কাঠামোকে পুনরায় ভারসাম্যপূর্ণ করার চেষ্টা চলছে।
বিহারের শাসক জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (NDA)-এ একাধিক সহযোগী দল রয়েছে, যারা মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে নিজেদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে সক্রিয়। এর মধ্যে রয়েছে লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস), হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা এবং রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা। এই দলগুলিও মন্ত্রিপদ বণ্টনের দিকে নজর রাখছে, যার ফলে জোটের অভ্যন্তরীণ আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, বিহারে সর্বাধিক ৩০ জন মন্ত্রী নিয়োগ করা যেতে পারে, যা মোট বিধানসভা আসনের প্রায় ১৫ শতাংশ। ফলে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সময় সীমিত সুযোগের মধ্যে বিভিন্ন দলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।





