কানপুরে পিতা-পুত্র হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তকে পুলিশ এনকাউন্টারের পর গ্রেপ্তার করেছে। সংঘর্ষের সময় অভিযুক্তের দুই পায়ে গুলি লাগে এবং পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে রাস্তার মাঝখানে পিতা ও পুত্রের ওপর ছুরি হামলা চালিয়ে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।
জানা গেছে, মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সামান্য বাকবিতণ্ডার পর পরিস্থিতি সহিংস হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্ত দুই জনের ওপর ছুরি হামলা চালায়।
উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে খুঁজতে একাধিক দল মোতায়েন করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছিল এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি ওঠে। এনকাউন্টারের পর পুলিশ অভিযুক্তের কাছ থেকে অস্ত্রও উদ্ধার করেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য দিকও তদন্ত করা হচ্ছে। উত্তর প্রদেশ পুলিশ আরও বলেছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগে থেকে নথিভুক্ত মামলাগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
ঘটনার পর নিহতদের পরিবার শোকাহত। পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সামাজিক মাধ্যমে এনকাউন্টার নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কিছু মানুষ পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন, আবার অনেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সড়কে ছোটখাটো বিষয়কে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা সহিংসতা উদ্বেগের বিষয়। রাগ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনের ভয় সমাজে প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়।












