কর্ণাটকের চিত্রদুর্গ জেলায় দিল্লি–চেন্নাই জাতীয় সড়কে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় ঝরে গেল একাধিক প্রাণ। লরির ধাক্কায় যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনায় গোটা দেশ জুড়ে শোকের ছায়া। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশের পাশাপাশি আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা
বৃহস্পতিবার ভোরে চিত্রদুর্গ জেলার ৪৮ নম্বর দিল্লি–চেন্নাই জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে। বুধবার রাত আনুমানিক ২টো নাগাদ একটি দ্রুতগতির লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবোঝাই একটি বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের পর মুহূর্তের মধ্যেই বাসটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।
দাউদাউ আগুনে মৃত্যু ১৭ জনের
বাসটি সম্পূর্ণভাবে আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই ঝলসে মৃত্যু হয় অন্তত ১৭ জন যাত্রীর। পাশাপাশি গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা
এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান,
“কর্ণাটকে বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।”
মৃত ও আহতদের জন্য আর্থিক সাহায্য
প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন—
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য
আহত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে সহায়তা
এই অর্থ প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) থেকে প্রদান করা হবে।
উদ্ধার ও তদন্তে প্রশাসন
দুর্ঘটনার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত গতি ও রাতের অন্ধকারকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
কর্ণাটকের চিত্রদুর্গ জেলায় যাত্রীবোঝাই বাস ও লরির সংঘর্ষে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু অন্তত ১৭ জনের। ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করে মৃত ও আহতদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।












