কলকাতা বিমানবন্দরের এটিসি ভবনে আগুন, স্বাভাবিক উড়ান পরিষেবা

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এটিসি ভবনে আগুন লাগার পর দমকলের দল সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিক রয়েছে এবং আগুন লাগার কারণ ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তদন্ত চলছে।
কলকাতা বিমানবন্দরের এটিসি ভবনে আগুন, স্বাভাবিক উড়ান পরিষেবা
Photo Credit / Attribution: Google

কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমানবন্দর চত্বরে কর্মী ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে সময়মতো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং ঘটনায় বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়নি।

এটিসি ভবনে আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর বিমানবন্দর প্রশাসন ও দমকল বিভাগকে জানানো হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং দমকলের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কর্মীদের সতর্কতা ও সময়মতো পদক্ষেপের ফলে আগুন আর ছড়িয়ে পড়তে পারেনি।

এটিসি ভবন থেকেই বিমানের ওঠানামা, উড়ানগুলির মধ্যে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং টেকঅফ ও ল্যান্ডিংয়ের সময় প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কাজ পরিচালিত হয়। এই ঘটনায় বিমানবন্দরের সামগ্রিক পরিচালনায় বড় ধরনের কোনো বিঘ্নের খবর পাওয়া যায়নি।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি বিমান চলাচল স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা করা হয়। বিমানবন্দর থেকে উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকে। উড়ান বাতিল বা ব্যাপক বিলম্বের মতো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়নি যাত্রীদের।

আগুন লাগার খবরের পর এটিসি ভবন ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়। দমকল কর্মীরা আগুনের উৎসে পৌঁছে সেটি নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে ভবন ও সংশ্লিষ্ট অংশ পরীক্ষা করা হয়, যাতে পুনরায় আগুন লাগার কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করা যায়।

আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ হওয়ার পর আগুন কী কারণে লেগেছিল এবং কোনো প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি আগুন কোন অংশে লেগেছিল এবং সেখানে থাকা সরঞ্জামগুলির ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে।

এটিসি ভবনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা ও যোগাযোগ-সংক্রান্ত সরঞ্জাম রয়েছে। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিমান চলাচল-সংক্রান্ত পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হয়।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। বিমানবন্দর প্রশাসন ও দমকল বিভাগ আগুন সীমিত এলাকায় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়।

ঘটনার সময় বিমানবন্দর চত্বরে কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগ তৈরি হলেও পরে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। যাত্রীদের উড়ান পরিষেবায় কোনো বড় পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে হয়নি।

বর্তমানে বিমানবন্দর প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি আগুন লাগার কারণ এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করছে। কলকাতা বিমানবন্দরের উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং বিমানবন্দর প্রশাসন পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।

Leave a comment