৯ মে লোক আদালতে মুলতুবি ট্রাফিক চালান নিষ্পত্তিতে জরিমানায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের সম্ভাবনা

৯ মে অনুষ্ঠিত লোক আদালতে দীর্ঘদিনের মুলতুবি ট্রাফিক চালানের নিষ্পত্তি করা হবে। প্রশাসনের মতে, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জরিমানায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় মিলতে পারে, তবে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর মামলায় কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।
৯ মে লোক আদালতে মুলতুবি ট্রাফিক চালান নিষ্পত্তিতে জরিমানায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ের সম্ভাবনা
Photo Credit / Attribution: Google

৯ মে অনুষ্ঠিত হতে চলা লোক আদালতে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ট্রাফিক চালানের নিষ্পত্তি করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় গাড়িচালকেরা জরিমানায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পেতে পারেন বলে জানানো হয়েছে।

পুরনো ও মুলতুবি মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে লোক আদালতের মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যাদের ট্রাফিক চালান বকেয়া রয়েছে, তারা এই সুযোগের সুবিধা নিতে পারবেন।

তবে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর মামলায় কোনও ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে এবং নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে ভারী জরিমানা ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লোক আদালতের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়া এবং মুলতুবি মামলাগুলির নিষ্পত্তি করা। এর ফলে আদালতের ওপর চাপও কমবে এবং গাড়িচালকেরাও উপকৃত হবেন।

বিশেষ করে হেলমেট, সিট বেল্ট, ভুল পার্কিং এবং নথিপত্র সংক্রান্ত চালানে ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মানুষ নিজেদের চালানের নিষ্পত্তি করতে পারবেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে গাড়িচালকদের এই সুযোগ গ্রহণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজেদের মামলার নিষ্পত্তি করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, চালানে ছাড় দেওয়া যেতে পারে, তবে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর মতো গুরুতর ক্ষেত্রে কঠোরতা বজায় রাখা জরুরি, কারণ এতে সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।

লোক আদালতকে কেন্দ্র করে পরিবহন বিভাগ এবং ট্রাফিক পুলিশ প্রস্তুতি শুরু করেছে। বিপুল সংখ্যক মানুষ নিজেদের মুলতুবি চালানের নিষ্পত্তির জন্য উপস্থিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

গাড়িচালকদের মধ্যে এই ছাড়কে ঘিরে আগ্রহ দেখা গেলেও প্রশাসন জানিয়েছে, সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুতর ক্ষেত্রে নিয়মের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না।

Leave a comment