লখনউয়ে তীব্র গরম ও লু জনজীবনে ভোগান্তি বাড়িয়েছে। তীব্র রোদ ও গরম হাওয়ার মধ্যে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শহরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও গরম থেকে স্বস্তি মিলছে না।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর আজ ‘ওয়ার্ম নাইট’ সতর্কতা জারি করেছে। এর অর্থ, রাতের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকবে, ফলে মানুষকে গরম ও আর্দ্রতার মুখোমুখি হতে হবে।
গরম থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গ্রিন নেট বসানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য ট্রাফিক সিগন্যালে অপেক্ষমাণ মানুষকে তীব্র রোদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া।
লখনউয়ে দুপুরের সময় সড়কগুলো অনেকাংশে ফাঁকা দেখা যাচ্ছে। মানুষ প্রয়োজনীয় কাজ থাকলেই বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন।
চিকিৎসকেরা মানুষকে বেশি পানি পান, হালকা পোশাক পরিধান এবং দুপুরের রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রবীণ ও শিশুদের জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের কথাও বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য দপ্তর হাসপাতালগুলোকে হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনের ঘটনার জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
শহরে ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপরও চাপ বাড়ছে। একাধিক এলাকায় মানুষ গরম ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট—উভয় সমস্যায় ভুগছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মানুষ তীব্র গরম নিয়ে নিয়মিত পোস্ট করছেন। একাধিক ব্যবহারকারী দিন ও রাত—উভয় সময়েই গরম থেকে স্বস্তি না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকা হিটওয়েভ ও ওয়ার্ম নাইটের মতো পরিস্থিতি জলবায়ু পরিবর্তনের ইঙ্গিত। শহরাঞ্চলে সবুজায়ন ও উন্নত তাপ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন বাড়ছে।
ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর মানুষকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে রোদে বাইরে না বের হওয়া এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।










