বলিউডে মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবীর সম্পর্ক নিয়ে বহু বছর ধরেই নানা গুঞ্জন রয়েছে। সম্প্রতি পরিচালক করণ রাজদানের এক সাক্ষাৎকার সেই পুরনো বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত টানাপোড়েনের মধ্যেও মিঠুন সারারাত জেগে পরদিন নির্ধারিত সময়ে শুটিংয়ে হাজির হতেন।

মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক নিয়ে নতুন দাবি
এক সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে পরিচালক ও অভিনেতা করণ রাজদান জানান, মিঠুন চক্রবর্তী এবং শ্রীদেবীর মধ্যে গভীর আবেগপূর্ণ সম্পর্ক ছিল বলে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন। তাঁর কথায়, দু'জনের মধ্যে প্রায়ই দীর্ঘ সময় ধরে ফোনে তর্ক-বিতর্ক চলত।করণ রাজদান বলেন, "তারা সারা রাত ঝগড়া করত। তিনি এখন আর আমাদের মধ্যে নেই, তাই এই বিষয় নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না।"
সারারাত জেগেও শুটিংয়ে সময়মতো মিঠুন
সাক্ষাৎকারে করণ আরও জানান, মিঠুন চক্রবর্তীর কর্মক্ষমতা ছিল অসাধারণ। তাঁর মতে, সারারাত জেগে কখনও নাচের রিহার্সাল, কখনও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ফোনালাপ—সবকিছুর পরও পরদিন সকালে তিনি যথাসময়ে শুটিং সেটে উপস্থিত থাকতেন।পরিচালকের ভাষায়, মিঠুন ছিলেন অত্যন্ত আবেগপ্রবণ এবং কাজের প্রতি শতভাগ নিবেদিত একজন মানুষ।

গোপন বিয়ের জল্পনা এখনও আলোচনায়
বলিউডে দীর্ঘদিন ধরেই শোনা যায়, ১৯৮৫ সালের দিকে মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী নাকি গোপনে বিয়ে করেছিলেন। তবে এই দাবি কখনও সরকারি নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।এক পুরনো সাক্ষাৎকারে এই গুঞ্জন প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মিঠুন চক্রবর্তী স্পষ্টভাবে কোনও স্বীকৃতি দেননি। তিনি বলেছিলেন, "কিছু সত্য, কিছু মিথ্যা। এর বেশি কোনও মন্তব্য করতে চাই না।

যোগিতা বালি ও বনি কাপুরকে ঘিরেও ছিল বিতর্ক
সেই সময়ে মিঠুন চক্রবর্তী ইতিমধ্যেই স্ত্রী যোগিতা বালির সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। পরে শ্রীদেবীর সঙ্গে বনি কাপুরের ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পর তাঁদের সম্পর্কেও নানা জল্পনা তৈরি হয়। যদিও এই ঘটনাগুলির বেশিরভাগই দীর্ঘদিনের বলিউড গসিপ ও বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি; এগুলির স্বাধীন বা সরকারি নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। পরিচালক-অভিনেতা করণ রাজদান এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, একসময় মিঠুন চক্রবর্তী ও শ্রীদেবী প্রায়ই সারা রাত ফোনে ঝগড়া করতেন। যদিও তাঁদের সম্পর্ক ও গোপন বিয়ের জল্পনা নিয়ে এখনও কোনও সরকারি বা নিশ্চিত প্রমাণ সামনে আসেনি।










