“নিজের চেয়ে আমাকে নিয়েই বেশি চিন্তা করতেন” — নানা পাটেকরের শেষ কথোপকথন নিয়ে আবেগঘন স্মৃতি, কী বলেছিলেন ছেলে মলহার?

নানা পাটেকরের সঙ্গে শেষ কথোপকথন নিয়ে কী জানিয়েছেন ছেলে মলহার পাটেকর? বাবার উদ্বেগ, আদর্শ ও ‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর সমাজসেবামূলক কাজের কথা জানুন।

পর্দায় দৃঢ় ব্যক্তিত্বের জন্য পরিচিত নানা পাটেকরের ব্যক্তিগত জীবনের একটি আবেগঘন মুহূর্ত উঠে এসেছে তাঁর ছেলে মলহার পাটেকরের কথায়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে মলহার জানিয়েছেন, তাঁদের শেষ কথোপকথনে ছেলের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছিলেন নানা। বাবার সেই উদ্বেগ ও ভালোবাসার স্মৃতি আজও তাঁর কাছে বিশেষ অর্থ বহন করে। একই সঙ্গে বাবার সমাজসেবার কাজ যাতে থেমে না যায়, সেই দায়িত্বও পালন করতে চান পরিবারের সদস্যরা।

শেষ কথোপকথনে ছেলেকে নিয়ে উদ্বেগ ছিল নানা পাটেকরের

প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নানা পাটেকরের সঙ্গে শেষবার কথা বলার স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন তাঁর ছেলে মলহার পাটেকর। মলহার জানিয়েছেন, কয়েক দিন ধরে তাঁর শরীর ভালো ছিল না। সেই বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন তাঁর বাবা।মলহারের বর্ণনা অনুযায়ী, শেষ কথোপকথনেও নানা নিজের চেয়ে ছেলের সুস্থতা নিয়েই বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বাবার এই আচরণে তাঁর প্রতি নানার গভীর স্নেহ ও দায়িত্ববোধের ছবি ফুটে ওঠে। একজন জনপ্রিয় অভিনেতার পরিচয়ের বাইরেও পরিবারের কাছে তিনি যে একজন যত্নশীল বাবা, সেই দিকটিই সামনে এসেছে এই স্মৃতিচারণে।

বাবার আদর্শ আজও অনুপ্রেরণা, বললেন মলহার

নানা পাটেকরকে স্মরণ করতে গিয়ে মলহার তাঁর বাবার জীবনদর্শনের কথাও তুলে ধরেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মানুষের কাজ ও আদর্শের মধ্য দিয়েই একজন মানুষ দীর্ঘদিন মানুষের মনে বেঁচে থাকতে পারেন।সমাজের উন্নতির জন্য সকলে মিলে কাজ করার যে ভাবনা নানা পাটেকর গুরুত্ব দিতেন, তা পরিবারের কাছেও মূল্যবান। বাবার ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবন থেকে পাওয়াশিক্ষাকে সামনে রেখেই তাঁর কাজের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মলহার।

‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ

অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও নানা পাটেকরের ভূমিকার কথা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। ‘নাম ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে জল সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।মলহারের বক্তব্য অনুযায়ী, বাবার শুরু করা কাজ যাতে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলে, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মারাঠওয়াড়ায় প্রস্তাবিত একটি প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথাও প্রতিবেদনে রয়েছে। ফাউন্ডেশনের সিইও গণেশ থোরাতের তত্ত্বাবধানে কাজটি এগোচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।পরিবারের কাছে এখন বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—এমনটাই মলহারের বক্তব্যের সারমর্ম।

ব্যক্তিগত স্মৃতি থেকে সমাজসেবার দায়িত্ব

নানা পাটেকরের সঙ্গে ছেলে মলহারের শেষ কথোপকথনের স্মৃতি শুধু পারিবারিক আবেগের বিষয় নয়, বরং তাঁদের সম্পর্কের একটি মানবিক দিকও তুলে ধরে। বাবার উদ্বেগ, তাঁর আদর্শ এবং সমাজের জন্য কাজ করার মানসিকতা—এই তিনটি বিষয়ই মলহারের স্মৃতিচারণে গুরুত্ব পেয়েছে।

প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকরকে ঘিরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তাঁর ছেলে মলহার পাটেকরের সঙ্গে শেষ কথোপকথনের কথা তুলে ধরা হয়েছে। মলহারের বক্তব্য অনুযায়ী, শেষবার কথা বলার সময়ও নিজের শারীরিক অবস্থার চেয়ে ছেলের সুস্থতা নিয়েই বেশি চিন্তিত ছিলেন অভিনেতা। পাশাপাশি বাবার সমাজসেবামূলক কাজ এবং তাঁর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিয়েও কথা বলেছেন মলহার।

 

Leave a comment