কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছতে আর ভিড় বা গরমের চিন্তা নয়। নতুন এসি বাস পরিষেবার মাধ্যমে প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া সম্ভব শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই পরিবহন কেন্দ্রের মধ্যে। ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা থাকায় গভীর রাতেও যাত্রীদের যাতায়াতে মিলছে বাড়তি সুবিধা।
এয়ারপোর্ট-হাওড়া সংযোগে নতুন স্বস্তি
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশন পর্যন্ত নতুন এসি বাস পরিষেবা চালু হওয়ায় যাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হয়েছে। বিমান ধরতে যাওয়া কিংবা বিমান থেকে নেমে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে এই পরিষেবা ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
২৪ ঘণ্টাই মিলবে বাস পরিষেবা
এই রুটে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বাস চলাচল করছে। ফলে ভোর কিংবা গভীর রাতে বিমান থাকলেও যাত্রীদের বিকল্প পরিবহনের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। বিশেষ করে দূরপাল্লার ট্রেন ও বিমানযাত্রীদের জন্য এটি অত্যন্ত সুবিধাজনক।
কোন কোন রুট দিয়ে চলবে বাস?
বিমানবন্দর টার্মিনাস থেকে ছেড়ে বাসটি নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলির উপর দিয়ে চলাচল করে—
কৈখালি
উল্টোডাঙা
কাঁকুরগাছি
গিরিশ পার্ক
চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ
ধর্মতলা
বিবাদীবাগ
হাওড়া স্টেশন
ফলে এই সমস্ত এলাকায় বসবাসকারী বা কর্মরত যাত্রীরাও সহজেই পরিষেবাটি ব্যবহার করতে পারবেন।
এক ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছনোর লক্ষ্য
স্বাভাবিক যানজট না থাকলে প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যেই বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব। এতে ট্রেন ও বিমানের সময় মিলিয়ে যাতায়াত পরিকল্পনা করা আরও সহজ হবে।
পরিবেশবান্ধব বাসও যুক্ত হচ্ছে বহরে
এই পরিষেবায় ধীরে ধীরে বৈদ্যুতিক (Electric) ও সিএনজি (CNG) বাস অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। যাত্রী সংখ্যা বাড়লে ভবিষ্যতে বাসের সংখ্যা ও ট্রিপ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
কারা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন?
এই পরিষেবা বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে—
বিমানযাত্রীদের
হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনযাত্রীদের
অফিসযাত্রীদের
পর্যটকদের
গভীর রাতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের
একটি মাত্র বাসেই শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সংযুক্ত থাকায় সময় ও খরচ—দুই ক্ষেত্রেই সাশ্রয় হবে।
কলকাতা বিমানবন্দর ও হাওড়া স্টেশনের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ করতে চালু হয়েছে নতুন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) বাস পরিষেবা। দিনে-রাতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে পরিচালিত এই পরিষেবা বিমানযাত্রী, অফিসযাত্রী এবং পর্যটকদের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে।










