নতুন উচ্চ রক্তচাপ নির্দেশিকা অনুসারে, 120/80 mmHg-এর নিচে স্বাভাবিক, 120-129 mmHg উচ্চতর (Elevated), 130-139 mmHg প্রথম মাত্রা উচ্চ রক্তচাপ (Stage 1 Hypertension) এবং 140/90 mmHg-এর উপরে দ্বিতীয় মাত্রা উচ্চ রক্তচাপ (Stage 2 Hypertension) হিসেবে বিবেচিত হবে। এই নির্দেশিকাটি উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক সনাক্তকরণ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকে সহজ করে তোলে, যা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
উচ্চ রক্তচাপের নির্দেশিকা: ভারতজুড়ে উচ্চ রক্তচাপের (High BP) প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিওলজি নতুন উচ্চ রক্তচাপের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। এই নির্দেশিকাটি মানুষকে 120/80 mmHg থেকে শুরু করে 140/90 mmHg-এর উপরে পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের রক্তচাপ চিহ্নিত করতে, ঝুঁকির পূর্বাভাস দিতে এবং সময় মতো চিকিৎসা বা জীবনযাত্রার পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। নতুন নির্দেশিকায় বাড়িতে রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত ব্যায়ামের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে তরুণ ও বয়স্ক উভয় শ্রেণীতে হৃদরোগ এবং কিডনি সম্পর্কিত গুরুতর ঝুঁকিগুলো কমানো যায়।
রক্তচাপের নতুন শ্রেণীবিভাগ ও তীব্রতা
নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, 120/80 mmHg-এর নিচে রক্তচাপ স্বাভাবিক হিসেবে বিবেচিত হবে। 120-129 mmHg-কে Elevated BP বা প্রাথমিক সতর্কবার্তা হিসেবে গণ্য করা হবে। 130-139 mmHg প্রথম মাত্রা উচ্চ রক্তচাপ (Stage 1 Hypertension) এবং 140/90 mmHg-এর উপরে দ্বিতীয় মাত্রা উচ্চ রক্তচাপ (Stage 2 Hypertension) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এই নতুন শ্রেণীবিভাগগুলোর উদ্দেশ্য হলো, মানুষজন সময় মতো রক্তচাপ বৃদ্ধির লক্ষণগুলো চিহ্নিত করতে পারবে এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন বা ওষুধের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি হ্রাস করা যেতে পারে।

চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন
নতুন নির্দেশিকায় ওষুধ দ্রুত শুরু করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে যাদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি তাদের ক্ষেত্রে। একই সাথে, প্রতিদিন ৩০ মিনিটের হাঁটা বা যোগা, ওজন নিয়ন্ত্রণ, লবণ কম খাওয়া, প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার, ঘুমের উন্নতি এবং মানসিক চাপ মোকাবিলা করার মতো জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাড়িতে রক্তচাপ পর্যবেক্ষণকে এখন বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সঠিক মানা পাওয়া যায় এবং চিকিৎসা আরও কার্যকর হয়। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য রক্তচাপের মান আরও কঠোরভাবে বজায় রাখা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞের মতামত
ডাঃ अजीत জৈন, রি Rajiv Gandhi হাসপাতালের একজন কার্ডিওলজিস্ট, বলেন যে নতুন নির্দেশিকাটির মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপের প্রাথমিক সনাক্তকরণ সহজ হবে এবং এর ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং কিডনি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো হ্রাস পাবে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মানসিক চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন প্রধান কারণ, তাই সময় মতো পর্যবেক্ষণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন গ্রহণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।








