West Bengal বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে দলীয় অন্দরের চর্চা। কোচবিহারের দাপুটে নেতা Rabindranath Ghosh-এর টিকিট না পাওয়া এবং তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে।
টিকিট না পেয়েই ‘সন্ন্যাস’ জল্পনা
কোচবিহারের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করে আসা Rabindranath Ghosh এবারের নির্বাচনে টিকিট পাননি। এরপরই তাঁর “থামার সময় এসেছে” মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে তুমুল জল্পনা—তবে কি সত্যিই সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চলেছেন তিনি?
তৃণমূলের শুরু থেকেই নেত্রীর সঙ্গী
Mamata Banerjee যখন All India Trinamool Congress গড়ে তুলেছিলেন, সেই সময় থেকেই দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। তাই এবারের টিকিট না পাওয়া তাঁর জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
জুনিয়রদের টিকিট, বাড়ল অসন্তোষ
এই নির্বাচনে Partha Pratim Roy এবং Abhijit De Bhowmik-এর মতো তুলনামূলক জুনিয়র নেতারা টিকিট পাওয়ায় ক্ষোভ আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্তে হতবাক হয়ে পড়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ এবং কিছুদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি তাঁকে।
দলের ভিতরে নতুন সমীকরণ
কোচবিহারে Udayan Guha, Paresh Chandra Adhikari-সহ একাধিক নেতার উত্থানে বদলেছে সমীকরণ। এর জেরে ধীরে ধীরে প্রান্তিক হয়ে পড়েছেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে দলের অন্দরে সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানা গেছে।
‘দল যাকে যোগ্য মনে করেছে’—মেপে মন্তব্য
এক সাক্ষাৎকারে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, দল যাকে যোগ্য মনে করেছে তাকেই প্রার্থী করেছে। তিনি নেতৃত্বকে নিরাশ করতে চাননি বলেও জানান। তবে তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হতাশার সুর ধরা পড়েছে।
বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট না পাওয়ায় হতাশ Rabindranath Ghosh। তাঁর মন্তব্য—“আমার থামার সময় এসেছে”—ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। কোচবিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখছেন অনেকেই।











