Sharmila Tagore Daughter: ৫০ পেরিয়েও বিয়ে করেননি শর্মিলা ঠাকুরের মেয়ে সাবা! কেন এখনও মনের মানুষ খুঁজছেন সইফ-সোহারের দিদি?

শর্মিলা ঠাকুরের মেয়ে সাবা আলি খান কেন এখনও বিয়ে করেননি? জীবনসঙ্গী সম্পর্কে কী জানালেন সইফ ও সোহা আলি খানের দিদি? জেনে নিন বিস্তারিত।

সইফ আলি খান ও সোহা আলি খানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহের শেষ নেই। তবে পাতৌদি পরিবারের বড় মেয়ে সাবা আলি খান বরাবরই থেকেছেন প্রচারের আলো থেকে দূরে। ৫০ বছর পেরিয়েও কেন অবিবাহিত তিনি? সম্প্রতি ‘She The People’-এর সঙ্গে কথোপকথনে সাবা জানিয়েছেন, তিনি একা থাকার সিদ্ধান্ত নেননি। জীবনে একজন ভালোবাসার মানুষ চেয়েছিলেন তিনিও। কিন্তু এখনও মনের মতো দায়িত্বশীল সঙ্গী খুঁজে পাননি।

পাতৌদি পরিবারের অন্যদের থেকে আলাদা সাবা

শর্মিলা ঠাকুর ও মনসুর আলি খান পাতৌদির মেয়ে সাবা আলি খান। তাঁর ভাই সইফ আলি খান এবং বোন সোহা আলি খান অভিনয়ের জগতে পরিচিত মুখ। কিন্তু সাবা বেছে নিয়েছেন তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিগত জীবনযাপন। পরিবারের তারকাখ্যাতি থাকলেও নিজের জীবনকে প্রচারের কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে বিশেষ আগ্রহী নন তিনি।৫০ বছর পেরিয়েও অবিবাহিত সাবার জীবন নিয়ে তাই স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল রয়েছে অনুরাগীদের মধ্যে। সম্প্রতি নিজের বিয়ে ও সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলায় আবারও আলোচনায় এসেছেন তিনি।

বিয়ে করতে চান না, এমনটা নয়!

সাবার কথায়, তিনি ইচ্ছা করে একা থাকেননি। তাঁর জীবনেও প্রেমময় সম্পর্কের ইচ্ছা ছিল। জীবনে বিভিন্ন সময়ে মানুষের সঙ্গে পরিচয় ও সম্পর্কের সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত মনের মতো সঙ্গী পাননি তিনি।তাঁর কাছে বিয়ে মানে শুধুমাত্র সামাজিক রীতি পালন নয়। জীবনসঙ্গীর মধ্যে দায়িত্ববোধ, স্বাবলম্বিতা এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকা জরুরি। তাই উপযুক্ত মানুষকে না পাওয়া পর্যন্ত বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে চাননি সাবা।

বাবার শেখানো মূল্যবোধই কি তাঁর সিদ্ধান্তের কারণ?

সাক্ষাৎকারে সাবা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর বাবা মনসুর আলি খান পাতৌদি তাঁকে দায়িত্বশীল ও স্বাবলম্বী হতে শিখিয়েছিলেন। নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়া এবং জীবনের দায়িত্ব সামলানোর শিক্ষাই তাঁর ব্যক্তিত্ব গড়ে তুলেছে।সাবার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি এমন একজন সঙ্গী চান, যিনি নিজের দায়িত্ব বুঝবেন এবং সম্পর্কের ক্ষেত্রেও সমানভাবে পরিণত হবেন। এই মানসিকতার কারণেই শুধুমাত্র সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য নিজের মূল্যবোধের সঙ্গে আপস করতে চান না তিনি।

শক্তিশালী নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়া কি কঠিন?

সাবার মতে, আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীনচেতা নারীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব পুরুষ সমানভাবে স্বচ্ছন্দ নন। তাঁর কথায়, অনেক সময় শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের নারীকে মেনে নিতে সমস্যা হয় সঙ্গীর।তবে অবিবাহিত থাকা মানেই নিঃসঙ্গ জীবন কাটানো নয়, এমনটাই মনে করেন সাবা। নিজের জীবন নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট। তাঁর কাছে সম্পর্কের গুরুত্ব রয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র বিয়েকরার জন্য ভুল মানুষের সঙ্গে জীবন কাটাতে তিনি রাজি নন।

ভবিষ্যতে কি বিয়ে করবেন সাবা আলি খান?

সাবা বিয়ের সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, জীবনে উপযুক্ত কাউকে পেলে তিনি এখনও বিয়ে করতে প্রস্তুত। নতুন সম্পর্কের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী থাকলেও তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত নিতে চান না তিনি।পরিবারও তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভবিষ্যতে যদি মনের মতো সঙ্গী খুঁজে পান, তবে তাঁকে পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেও আপত্তি নেই সাবার। অর্থাৎ, বিয়ের দরজা বন্ধ করেননি তিনি—শুধু সঠিক মানুষের জন্য অপেক্ষা করছেন।

বলিউড অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের মেয়ে সাবা আলি খান ৫০ বছর পেরিয়েও অবিবাহিত। কেন এখনও বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি তিনি? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক এবং জীবনসঙ্গী সম্পর্কে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবা। তাঁর বক্তব্য, বিয়েতে আপত্তি নেই, কিন্তু শুধুমাত্র সমাজের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের পছন্দের সঙ্গে আপস করতে রাজি নন তিনি।

Leave a comment