সোমবার রাজস্থানের কেকরি অঞ্চলে স্কুল পড়ুয়াদের বহনকারী একটি টেম্পো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে ১৫ জন শিশুর মধ্যে ৩ জন গুরুতর আহত হয়। আহত সকলকে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অজমের জেলার কেকরি এলাকায় প্রতাপপুরা থেকে হিংগতড়া যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্কুল ছুটির পর প্রায় ১৫ জন ছাত্রছাত্রী টেম্পোতে করে বাড়ি ফিরছিল। পথেই হঠাৎ চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে টেম্পোটি উল্টে যায়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শিশুরা সুরজপুরার উগমারাম মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউশন থেকে পড়াশোনা শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। হিংগতড়া রুটে চলার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত গ্রামবাসী ও পথচারীরা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। তারা টেম্পোর ভেতরে আটকে থাকা শিশুদের বের করে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেন।
![]()
এই দুর্ঘটনায় ১২ বছরের অর্পিত ধাকড়, ১১ বছরের বন্দনা ধাকড় এবং ৫ বছরের নায়না কুমাওয়াত গুরুতর আহত হয়েছে। তিনজনকেই কেকরি জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। অন্যান্য শিশুদের সামান্য আঘাত লাগে এবং প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে সরওয়ার ব্লকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা রামেশ্বর প্রসাদ ঝারোটিয়া হাসপাতালে পৌঁছান। তিনি আহতদের খোঁজখবর নেন এবং ঘটনাটির কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তদন্তের নির্দেশ দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুল পড়ুয়াদের পরিবহন ও সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রামীণ এলাকায় প্রায়শই ব্যক্তিগত যানবাহনে শিশুদের আনা-নেওয়া করা হয়, যেখানে নিরাপত্তা মানদণ্ড মানা হয় না বলে আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে স্কুল যানবাহনের নিরাপত্তা পরীক্ষা কঠোরভাবে প্রয়োগের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অবহেলাপূর্ণ চালনার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।











