২৬ জানুয়ারি ২০২৬ উপলক্ষে দেশজুড়ে ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উদ্যাপনের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ঘর, অফিস ও আবাসিক এলাকায় তিরঙ্গা রঙোলি ব্যবহারকে সহজ ও কার্যকর সাজসজ্জার একটি পদ্ধতি হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে তিরঙ্গা রঙোলিতে অশোক চক্র, ভারতের মানচিত্র, জাতীয় পাখি ময়ূর, পদ্ম ও ফুলভিত্তিক থিম ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব নকশায় তিরঙ্গার রং প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উৎসবের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।
অশোক চক্র থিম রঙোলিতে কেন্দ্রে গাঢ় নীল রঙের অশোক চক্র এবং চারপাশে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙের বৃত্তাকার নকশা তৈরি করা হয়। এই নকশা অফিসের প্রবেশপথে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ভারতের মানচিত্রভিত্তিক রঙোলিতে দেশের মানচিত্রের আউটলাইন তৈরি করে তিরঙ্গা রঙে পূরণ করা হয়। এই নকশা আবাসিক এলাকার গেট বা অফিসের প্রধান প্রবেশদ্বারে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিরঙ্গা ময়ূর মোটিফ রঙোলিতে ময়ূরের দেহে নীল এবং পালকে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রং প্রয়োগ করা হয়। এই নকশা ঘরের বারান্দা বা বসার জায়গায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইকো-ফ্রেন্ডলি ফুলের রঙোলিতে গাঁদার গেরুয়া ফুল, সাদা জুঁই ও সবুজ পাতার ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এই রঙোলি ইনডোর সাজসজ্জায় প্রয়োগ করা হচ্ছে।
পদ্ম থিম তিরঙ্গা রঙোলিতে পদ্মের পাপড়িতে গেরুয়া ও সাদা এবং নিচের পাতায় সবুজ রঙ ব্যবহার করা হয়। এই নকশা বিভিন্ন প্রবেশপথে ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্বল্প জায়গা বা সময়ের ক্ষেত্রে মিনিমালিস্ট তিরঙ্গা বর্ডার রঙোলিতে ছোট ডট, লাইন বা ফুলের নকশা দিয়ে দরজার পাশে সাজসজ্জা করা হচ্ছে।
তিরঙ্গা রঙোলি প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্বল্প ব্যয়ে ঘর ও অফিস সাজানোর একটি পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।






