‘ইয়া বড় কেক’ দেখেই আর তর সইল না! সামনে সাজানো বিশাল খাবার, আর গন্ধ পেতেই শুঁড় বাড়িয়ে দিল গরুমারার কুনকির দল। তবে এই কেক মানুষের জন্য নয়। বিশ্ব হাতি দিবস উপলক্ষে হাতিদের পছন্দের ফল-সবজি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল ১৪ ফুটের বিশেষ খাবার। কেক সামনে আসতেই উৎসবের আবহ তৈরি হয় দক্ষিণ ধুপঝোড়া এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে।
১৪ ফুটের কেক, কিন্তু ময়দা-চিনি কোথায়?
গরুমারা জাতীয় উদ্যানের দক্ষিণ ধুপঝোড়া এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে বিশ্ব হাতি দিবসের আগে নেওয়া হয় অভিনব উদ্যোগ। কেক তৈরি হলেও তাতে ছিল না ময়দা, চিনি কিংবা ক্রিম।তার বদলে কেকজুড়ে সাজানো হয় তরমুজ, কুমড়ো, লাউ এবং হাতিদের পছন্দের বিভিন্ন ফল ও সবজি। আকারেও ছিল তাক লাগানো—প্রায় ১৪ ফুট লম্বা।
কুনকিদের জন্য বিশেষ আয়োজন
১২ আগস্ট বিশ্ব হাতি দিবস। তার আগে মঙ্গলবার বনদফতর ও জাম্বো ট্রুপসের উদ্যোগে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রামি, হিলারি-সহ অন্যান্য কুনকি হাতিদের গায়ে আঁকা হয় সুন্দর আল্পনা। এরপর তাদের সামনে সাজিয়ে রাখা হয় বিশালাকার খাবারের কেক।
পছন্দের খাবার সামনে পেতেই অবশ্য কোনও অপেক্ষা করেনি হাতিরা। শুঁড় দিয়ে একের পর এক অংশ তুলে নিয়ে শুরু হয়ে যায় খাওয়া। মুহূর্তের মধ্যেই চেটেপুটে শেষ করে ফেলে গোটা ‘কেক’।
হাতিদের পাশাপাশি মাহুতদেরও বিশেষ গুরুত্ব
কুনকিদের এই অভিনব আপ্যায়ন দেখতে এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়। বনকর্মী, মাহুত এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের মধ্যেই ছিল বাড়তি উচ্ছ্বাস।তবে আয়োজন শুধু হাতিদের ঘিরে ছিল না। প্রতিদিন যাঁরা হাতিদের পরিচর্যা করেন, সেই মাহুতদের জন্যও নেওয়া হয় বিশেষ উদ্যোগ। অনুষ্ঠানে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
কেন এমন আয়োজন?
গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের এডিএও রাজীব দেব জানান, হাতিদের সঙ্গে বনকর্মীদের প্রতিদিনের সম্পর্ক। তাই বিশ্ব হাতি দিবসেও তাদের জন্য বিশেষ কিছু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রায় ১৪ ফুটের এই বিশেষ খাবার তৈরি করে হাতিদের দিনটি উদযাপন করতে পেরে বনদফতরও খুশি।
বিশ্ব হাতি দিবসের আগে গরুমারার দক্ষিণ ধুপঝোড়া এলিফ্যান্ট ক্যাম্পে কুনকি হাতিদের জন্য তৈরি হল প্রায় ১৪ ফুটের অভিনব ‘কেক’। ময়দা, চিনি বা ক্রিম নয়—তরমুজ, কুমড়ো, লাউ-সহ হাতিদের পছন্দের নানা ফল ও সবজি দিয়েই সাজানো হয়েছিল এই বিশেষ খাবার। সামনে আসতেই মুহূর্তে তা সাবাড় করে দেয় হাতিরা।











