জাপানের বিরুদ্ধে ভারতের ঐতিহাসিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ব্যাট হাতে শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল টিম ইন্ডিয়া। টাইফুন দুজুয়ানের প্রভাবে ভারী বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে ৫ ওভার করা হয়েছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। কিন্তু ইনিংসের শুরুতেই প্রত্যাশিত ঝড় তোলার বদলে প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরলেন অভিষেক শর্মা। গোল্ডেন ডাকের সঙ্গে এই ম্যাচ তাঁর নামের পাশে একাধিক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিসংখ্যানও যোগ করে দিল।

প্রথম বলেই শেষ অভিষেকের ইনিংস
জাপানের বিরুদ্ধে মাত্র এক বল খেলার সুযোগ পান অভিষেক শর্মা। রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম বলে আউট হয়ে যান তিনি।৫ ওভারের ম্যাচে দ্রুত রান তোলার দায়িত্ব ছিল ভারতের ব্যাটারদের উপর। ফলে অভিষেকের কাছ থেকে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি ভারতীয় ওপেনার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম গোল্ডেন ডাক
জাপানের বিরুদ্ধে প্রথম বলেই আউট হওয়ার পর অভিষেকের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি কেরিয়ারে গোল্ডেন ডাকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচে।প্রদত্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতীয় ওপেনার হিসেবে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি বার প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড এখন তাঁর নামেই।
অর্থাৎ এই একটি ম্যাচেই অভিষেকের নামের পাশে যোগ হল একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভারতীয় রেকর্ড।
২০২৬ সালে গোল্ডেন ডাকের বিশ্ব রেকর্ডের সমান
শুধু ভারতীয় ক্রিকেটের পরিসংখ্যানেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও এই গোল্ডেন ডাকের বড় প্রভাব রয়েছে।২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি ছিল অভিষেকের পঞ্চম গোল্ডেন ডাক। ফলে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক গোল্ডেন ডাকের রেকর্ডে তিনি রুয়ান্ডার কেভিন ইরাকোজে এবং জিম্বাবোয়ের রিচার্ড এনগারাভার সঙ্গে একই জায়গায় চলে এসেছেন।অর্থাৎ চলতি বছরে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হওয়ার সংখ্যার নিরিখে অভিষেকের পরিসংখ্যান এখন নজরকাড়া।

২০২৬ সালে সপ্তম ডাক অভিষেকের
জাপানের বিরুদ্ধে এই ম্যাচে গোল্ডেন ডাকের পাশাপাশি আরও একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিসংখ্যান যোগ হয়েছে অভিষেকের খাতায়।চলতি ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি ছিল তাঁর সপ্তম ডাক। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যায় তিনি পাকিস্তানের স্যাম আইয়ুব এবং রুয়ান্ডার সংশ্লিষ্ট ব্যাটারের সঙ্গে একই সারিতে রয়েছেন।অর্থাৎ চলতি বছরে শুধু গোল্ডেন ডাক নয়, মোট ডাকের সংখ্যাতেও অভিষেকের পরিসংখ্যান আলোচনায় এসেছে।
সব ধরনের টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে আরও বড় রেকর্ড
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির হিসাবের বাইরেও অভিষেকের ২০২৬ সালের পরিসংখ্যান আরও উল্লেখযোগ্য।আইপিএল এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মিলিয়ে চলতি বছরে এটি ছিল তাঁর দশম ডাক। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, এর মাধ্যমে তিনি ২০১৯ সালে রশিদ খানের করা এক ক্যালেন্ডার বছরে ৯ বার ডাক আউট হওয়ার রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গিয়েছেন।ফলে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টির সব ধরনের ম্যাচ মিলিয়ে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক বার ডাক আউট হওয়ার নতুন রেকর্ডও তাঁর নামে যোগ হয়েছে।

৫ ওভারের ম্যাচে শুরুতেই বড় ধাক্কা
টাইফুন দুজুয়ানের কারণে ম্যাচটি স্বাভাবিকভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ভারী বৃষ্টির পর ভারত ও জাপানের এই ঐতিহাসিক ম্যাচটি কমিয়ে ৫ ওভারের করা হয়।এমন ছোট ফরম্যাটের ম্যাচে প্রতিটি বলের গুরুত্বই অত্যন্ত বেশি। সেখানে ভারতের ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেনারকে হারানো নিঃসন্দেহে দলের শুরুটা কঠিন করে দেয়। অভিষেকের গোল্ডেন ডাক তাই ম্যাচের পরিসংখ্যানেও বিশেষভাবে জায়গা করে নিয়েছে।
জাপানের বিরুদ্ধে ৫ ওভারের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হলেন ভারতের ওপেনার অভিষেক শর্মা। এই গোল্ডেন ডাকের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয় ওপেনার হিসেবে তাঁর গোল্ডেন ডাকের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচে। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চমবার প্রথম বলেই আউট হয়ে এক ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক গোল্ডেন ডাকের বিশ্ব রেকর্ডের সমানেও পৌঁছে গেলেন তিনি।








