বেগুনি-আলুর চপ ভুলে যান! বর্ষার বিকেলে বানান বীরভূমের মুচমুচে নারকেল-পোস্ত বড়া, রইল সহজ রেসিপি

বর্ষার বিকেলে চায়ের সঙ্গে বানিয়ে ফেলুন বীরভূমের নারকেল-পোস্ত বড়া। পোস্ত, নারকেল ও কাঁচা লঙ্কায় সহজ রেসিপিতে কীভাবে মুচমুচে বড়া বানাবেন, জানুন।

বাইরে ঝমঝম বৃষ্টি, হাতে ধোঁয়া ওঠা চা আর সঙ্গে গরম গরম বড়া—বর্ষার বিকেলের এমন আড্ডা বাঙালির কাছে বরাবরই বিশেষ। তবে প্রতিবার আলুর চপ বা বেগুনি নয়, এবার স্বাদ বদলাতে পারেন বীরভূমের ঘরোয়া নারকেল-পোস্ত বড়ায়। রান্নাঘরে থাকা কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়েই খুব সহজে বানিয়ে ফেলতে পারবেন এই লোভনীয় পদ।

নারকেল-পোস্ত বড়া বানাতে কী কী লাগবে?

এই বড়া তৈরির জন্য খুব বেশি উপকরণের প্রয়োজন নেই। লাগবে—

পোস্তদানা — ৪ টেবিল চামচ

তাজা নারকেল কোরা — ৪ টেবিল চামচ

কাঁচা লঙ্কা কুচি — ২টি

নুন — স্বাদমতো

চিনি — সামান্য

তেল — ভাজার জন্য

প্রথমে তৈরি করুন পোস্ত-নারকেলের মিশ্রণ

প্রথমে পোস্তদানা, নারকেল কোরা এবং কাঁচা লঙ্কা একসঙ্গে বেটে নিন। মিশ্রণটি খুব পাতলা করবেন না। বাটার সময় যতটা সম্ভব কম জল ব্যবহার করুন, যাতে মিশ্রণটি ঘন থাকে এবং সহজেই বড়ার আকার দেওয়া যায়।

নুন-চিনির ভারসাম্যই স্বাদের রহস্য

এবার বেটে রাখা মিশ্রণের সঙ্গে প্রয়োজনমতো নুন এবং অল্প চিনি দিয়ে ভালভাবে মেখে নিন। নারকেল, পোস্ত, কাঁচা লঙ্কার সঙ্গে নুন ও চিনির এই মিশেলই বড়াটিকে আলাদা স্বাদ দেয়।

কীভাবে ভাজবেন নারকেল-পোস্ত বড়া?

কড়াইতে পর্যাপ্ত তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন। এবার মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প অংশ নিয়ে গোল বা চ্যাপ্টা বড়ার মতো গড়ে নিন। গরম তেলে সাবধানে ছেড়ে দিন।একসঙ্গে বেশি বড়া কড়াইতে দেবেন না। মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে উল্টে-পাল্টে ভাজুন। দু’পিঠ সুন্দর লালচে-সোনালি এবং মুচমুচে হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে নিন।

চায়ের সঙ্গে নাকি গরম ভাতে?

গরম গরম নারকেল-পোস্ত বড়া বিকেলের চায়ের সঙ্গে সস বা কাসুন্দি দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন। আবার চাইলে গরম ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি বা মাখন দিয়েও খাওয়া যায়। বর্ষার দিনে দুইভাবেই এই বড়ার স্বাদ জমে যাবে।

বর্ষার দিনে চায়ের সঙ্গে ভাজাভুজি খেতে কার না ভাল লাগে! চেনা আলুর চপ কিংবা বেগুনির বদলে এবার বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন বীরভূমের জনপ্রিয় নারকেল-পোস্ত বড়া। অল্প কয়েকটি উপকরণেই তৈরি হবে বাইরের অংশ মুচমুচে ও ভেতরে নরম এই সুস্বাদু পদ।

 

Leave a comment