কংক্রিটের ব্যস্ত শহরের মাঝেও যদি খুঁজে পান সবুজের শান্ত আশ্রয়, তবে ডুমুরজলা বাংলো হতে পারে আপনার পরবর্তী গন্তব্য। প্রকৃতির কোলে গড়ে ওঠা এই মনোরম স্থানটি এখন হাওড়াবাসীর পাশাপাশি আশপাশের জেলার মানুষদের কাছেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। পরিবার, বন্ধু কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে কিছুটা নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য এটি হয়ে উঠেছে এক অনন্য ঠিকানা।

সবুজের মাঝে শহরের নতুন অবকাশ কেন্দ্র
ডুমুরজলা বাংলো চারপাশের সবুজ গাছপালা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং শান্ত আবহের জন্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। শহরের কোলাহল থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে প্রতিদিনই এখানে ভিড় করছেন বহু মানুষ। গরমের দিনেও গাছের ছায়া ও খোলা পরিবেশ দর্শনার্থীদের আরাম দেয়।
বাঁশ-কাঠের কুঞ্জঘর ও দুলন্ত সাঁকোই মূল আকর্ষণ
এই পর্যটনকেন্দ্রের অন্যতম আকর্ষণ হলো বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি ছোট্ট বিশ্রামকুঞ্জ। তার পাশেই রয়েছে একটি মনোরম জলাশয়, যার উপর নির্মিত বাঁশের দুলন্ত সাঁকো দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে।নারকেল গাছের ছায়ায় ঘেরা এই অংশটি বর্তমানে ছবি তোলা, ভিডিও রিল তৈরি এবং প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য জনপ্রিয় স্পটে পরিণত হয়েছে।

যুবসমাজের পছন্দের 'ফটো স্পট'
ডুমুরজলার এই নতুন সাজসজ্জা বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়। সামাজিক মাধ্যমে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার জন্য প্রতিদিনই এখানে ভিড় বাড়ছে। সবুজ বাগান, কাঠের নির্মাণ এবং জলাশয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মিলিয়ে জায়গাটি এখন ভাইরাল ফটো লোকেশন হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে।

কখন প্রবেশ করা যাবে?
ডুমুরজলা হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড সংলগ্ন এই অংশে প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে সীমিত সময়ের জন্য দর্শনার্থীদের প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তাই ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করলে বিকেলের সময়টিই সবচেয়ে উপযুক্ত।
কেন একবার ঘুরে দেখবেন?
সবুজে ঘেরা শান্ত পরিবেশ
বাঁশ-কাঠের কুঞ্জঘর
জলাশয়ের উপর দুলন্ত বাঁশের সাঁকো
ছবি তোলার মনোরম লোকেশন
পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানোর আদর্শ জায়গা
হাওড়ার ডুমুরজলা বাংলো এখন প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য। সবুজে ঘেরা পরিবেশ, বাঁশ-কাঠের কুঞ্জঘর, জলাশয়ের উপর দুলন্ত সাঁকো এবং বিকেলের নিরিবিলি আবহ দর্শনার্থীদের টানছে প্রতিদিন।








