প্রবर्तन অধিদপ্তর (ইডি) অর্থপাচার-সংক্রান্ত একটি মামলায় বেয়ারেলির ব্যবসায়ী আশুতোষ আগরওয়ালের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে। এই অভিযান পাঞ্জাব, দিল্লি-এনসিআর এবং উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচালিত অনুসন্ধান কার্যক্রমের অংশ। তদন্তকারী সংস্থা আর্থিক লেনদেন এবং সম্পত্তি-সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখছে।
মঙ্গলবার অর্থপাচার-সংক্রান্ত সন্দেহভাজন মামলাগুলির তদন্তের অংশ হিসেবে ইডি একাধিক রাজ্যে একযোগে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কর্মকর্তাদের মতে, পাঞ্জাবের লুধিয়ানা ও জালন্ধর, উত্তর প্রদেশের বেয়ারেলি এবং দিল্লি-নয়ডা অঞ্চলসহ মোট ছয়টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থার দলগুলি সেই সব আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রাঙ্গণে তল্লাশি চালিয়েছে, যেগুলির সঙ্গে তদন্তের আওতায় থাকা ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির সম্পর্ক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য অর্থনৈতিক অনিয়ম-সংক্রান্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা।
বেয়ারেলির সিভিল লাইনস এলাকায় অবস্থিত আই ক্রাস্ট স্টোর-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী আশুতোষ আগরওয়ালের বাসভবনেও মঙ্গলবার সকালে ইডির দল পৌঁছায়। সূত্রের দাবি, প্রাঙ্গণে প্রবেশের পর দলটি তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে এবং প্রয়োজনীয় নথি ও ইলেকট্রনিক রেকর্ড পরীক্ষা করে।
অভিযানের সময় তদন্তকারী সংস্থা প্রাঙ্গণের অভ্যন্তরে চলাচলে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। জানা গেছে, তদন্ত যাতে প্রভাবিত না হয়, সে জন্য যোগাযোগ-সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি ও রেকর্ড সম্পর্কিত তথ্যও নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ইডির তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু আর্থিক লেনদেন, ব্যবসায়িক কার্যকলাপ এবং সম্পত্তি-সংক্রান্ত নথি। কর্মকর্তাদের আশা, তল্লাশির সময় এমন নথি বা ডিজিটাল প্রমাণ মিলতে পারে, যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তবে এখনও পর্যন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও বিস্তারিত সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তদন্তের ফলাফল এবং সম্ভাব্য অভিযোগ সম্পর্কে পরিস্থিতি এখনও স্পষ্ট নয়।
তল্লাশির সময় কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে স্থানীয় পুলিশও মোতায়েন করা হয়। কর্মকর্তারা পুরো প্রাঙ্গণজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখেন এবং তদন্তকারী সংস্থাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন।
সূত্রের মতে, তদন্ত প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে পারে এবং প্রয়োজন হলে নথি ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পরীক্ষার জন্য জব্দ করা হতে পারে। বর্তমানে মামলায় পরবর্তী পদক্ষেপ ইডির তদন্ত প্রতিবেদন এবং সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।






