উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন। শিলিগুড়ি থেকে Darjeeling এবং Kurseong যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ রোহিনী রোডে টোল আদায় সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাতায়াত আরও সহজ ও সাশ্রয়ী হয়ে উঠল। বহু বছরের আন্দোলন, দাবি এবং জনমতের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় সাধারণ মানুষের মুখে ফুটেছে হাসি।

দীর্ঘদিনের দাবিতে মিলল সাফল্য
রোহিনী টোল প্লাজা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল স্থানীয় বাসিন্দা এবং গাড়িচালকদের মধ্যে। অভিযোগ ছিল, রাস্তার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের তুলনায় টোল আদায়ের যৌক্তিকতা ক্রমশ প্রশ্নের মুখে পড়ছিল। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
পর্যটকদের পকেটে বাড়তি স্বস্তি
উত্তরবঙ্গের পর্যটনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র দার্জিলিং ও কার্শিয়াং। সারা বছর দেশ-বিদেশের পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। টোল তুলে নেওয়ার ফলে ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্যাক্সি, মোটরবাইক এবং পর্যটন গাড়ির যাতায়াত ব্যয় কমবে। ফলে পাহাড় সফরের মোট খরচও কিছুটা কমে আসবে বলে মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

পরিবহণ ও বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব
শুধু পর্যটন নয়, বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রেও এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাহাড় ও সমতলের মধ্যে পণ্য পরিবহণে নিয়মিত এই রাস্তা ব্যবহার করা হয়। টোল ফি না থাকায় পরিবহণ ব্যয় কমবে, যার ইতিবাচক প্রভাব স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের উপরও পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে Raju Bista এবং Gorkhaland Territorial Administration-র উদ্যোগে একাধিক স্তরে আলোচনা হয়েছিল। দীর্ঘদিনের জনদাবি এবং স্থানীয় মানুষের মতামত বিবেচনা করেই শেষ পর্যন্ত টোল আদায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

পাহাড়-সমতলের যোগাযোগে নতুন গতি
রোহিনী রোড উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি সড়ক। বিশেষ করে পর্যটন মরশুমে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক যানবাহন চলাচল করে। টোল প্লাজা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু অর্থ সাশ্রয়ই নয়, যাতায়াত আরও দ্রুত এবং ঝামেলামুক্ত হবে বলেও মনে করছেন যাত্রীরা।

দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে বন্ধ হয়ে গেল রোহিনী টোল প্লাজা। ১ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং ও কার্শিয়াং যাওয়ার পথে আর কোনও টোল দিতে হবে না। ফলে যাত্রী, পর্যটক, পরিবহণ ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তির আবহ তৈরি হয়েছে।






