ভার্জিনিয়ায় প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট গভর্নর জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্সের স্ত্রীকে গুলি করে হত্যা ও আত্মহত্যা

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট গভর্নর জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্স নিজের স্ত্রী ড. সেরিনা ফেয়ারফ্যাক্সকে গুলি করে হত্যা করে পরে আত্মহত্যা করেন। বিবাহবিচ্ছেদ ও দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের মধ্যে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় পুলিশ মর্ডার-সুইসাইড হিসেবে তদন্ত চালাচ্ছে।

আমেরিকার ভার্জিনিয়ায় প্রাক্তন লেফটেন্যান্ট গভর্নর জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্স পারিবারিক বিরোধ ও বিবাহবিচ্ছেদ প্রক্রিয়ার মধ্যে নিজের স্ত্রী ড. সেরিনা ফেয়ারফ্যাক্স-কে গুলি করে হত্যা করে পরে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি তাদের নিজ বাসভবনে ঘটে এবং পুলিশ এটিকে মর্ডার-সুইসাইড হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত চালাচ্ছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্স ও ড. সেরিনা ফেয়ারফ্যাক্সের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। তারা প্রায় দুই বছর ধরে আলাদা থাকলেও সন্তানদের সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। ড. সেরিনা ফেয়ারফ্যাক্স বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন দায়ের করেছিলেন, যার ফলে বিরোধ আরও তীব্র হয়।

আদালতের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্স মানসিকভাবে চাপে ছিলেন এবং তার আচরণে একাকীত্ব, মদ্যপানের অভ্যাস ও পরিবারের থেকে দূরত্বের বিষয়গুলি প্রতিফলিত হয়েছিল।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্স প্রথমে বাড়ির বেসমেন্টে তার স্ত্রীকে গুলি করেন। এরপর তিনি উপরের বেডরুমে গিয়ে নিজেকেও গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়।

ঘটনার সময় তাদের সন্তানরা বাড়িতে উপস্থিত ছিল। তাদের ছেলের করা ৯১১ নম্বরে ফোনের মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পারে। এই কারণে ঘটনাটি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

জাস্টিন ফেয়ারফ্যাক্সকে একসময় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির উদীয়মান নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তিনি ২০১৭ সালে লেফটেন্যান্ট গভর্নর নির্বাচনে জয়ী হন এবং ২০১৯ সালে গভর্নর হওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছিল।

তবে পরবর্তীতে দুই নারী তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন, যার ফলে তার রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০২১ সালের গভর্নর নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। এই ঘটনাগুলি তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে প্রভাব ফেলেছিল।

 

Leave a comment