বিহারে সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির একটি বড় ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়েছে। শেখপুরা জেলায় পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ২ জন পরীক্ষার্থী সহ ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে ১২ জন সলভার গ্যাংয়ের সদস্য, যারা পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় বায়োমেট্রিক জালিয়াতি এবং উত্তরপত্র ফাঁস করার পরিকল্পনায় জড়িত ছিল। পুলিশ সকলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে এবং আরও তদন্ত চলছে।
বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ায় করা হচ্ছিল জালিয়াতি

পুলিশ আগে থেকেই খবর পেয়েছিল যে কিছু চক্র সিপাহী নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির পরিকল্পনা করছে। শেখপুরার এএসপি ডঃ রাকেশ কুমার জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল দেরি না করে সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছায় এবং বায়োমেট্রিক পরীক্ষা শুরু করে। তদন্তের সময় জানা যায় যে কিছু কেন্দ্রে নিযুক্ত বায়োমেট্রিক কর্মীদের বদলে অন্য লোক পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিল।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল জাল বায়োমেট্রিক করে আসল পরীক্ষার্থীর বদলে সলভারদের ভেতরে পাঠানো এবং প্রশ্নপত্র সমাধান করিয়ে উত্তরের মাধ্যমে তা আসল পরীক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া। পুলিশের টেকনিক্যাল টিম এবং নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় ষড়যন্ত্রটি সময় থাকতে ভেস্তে দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থল থেকে ১৪ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদে মূল চক্রীর হদিশ
গ্রেফতারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের পর পুরো নেটওয়ার্কের পর্দা উন্মোচিত হতে শুরু করেছে। এএসপি রাকেশ কুমারের মতে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় মূল চক্রীকেও চিহ্নিত করা গেছে এবং তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ধরা পড়া সকল অভিযুক্তকে এখন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হচ্ছে।
অন্যদিকে, এই বিষয়ে শেখপুরার এসপি বলরাম কুমার চৌধুরী ২১ জুলাই, ২০২৫ তারিখে একটি প্রেস কনফারেন্স করে পুরো ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানাবেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে পরীক্ষার স্বচ্ছতার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না এবং এ ধরনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









