ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতির চাপ এবং সুদের হার কমার সম্ভাবনা—এই তিনের যোগফলেই সোনার বাজারে উত্তাপ বাড়ছে। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে সোনার দাম আরও বাড়বে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তুঙ্গে।
মার্চেই রেকর্ড, এপ্রিলেও কি সেই ধারা?
২০২৬ সালের মার্চে সোনার দাম ইতিমধ্যেই রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। ২৪ ক্যারাট সোনা (১০ গ্রাম) ১.৫৮ থেকে ১.৫৯ লাখ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে, যা বাজারে নতুন উচ্চতা তৈরি করেছে।
ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাই বড় ফ্যাক্টর
মধ্যপ্রাচ্য ও অন্যান্য অঞ্চলের অস্থিরতা, তেলের দামের অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ—এই সবকিছুই সোনার দামকে উপরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার চাহিদা বেড়েছে।
এপ্রিলে সম্ভাব্য দাম কত হতে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এপ্রিল মাসে ২৪ ক্যারাট সোনার দাম ১০ গ্রামে প্রায় ১.৫৫ লাখ থেকে ১.৬৫ লাখ টাকার মধ্যে থাকতে পারে। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে এটি ১.৭০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।
১.৭৫ লাখ ছোঁয়া কি বাস্তবসম্মত?
১.৭৫ লাখ টাকার স্তর ছোঁয়া সম্ভব হলেও তা খুব দ্রুত ঘটার সম্ভাবনা কম। এর জন্য প্রয়োজন আরও বড় বৈশ্বিক অস্থিরতা বা মার্কিন সুদের হারে বড়সড় পরিবর্তন।
কোন কারণ দাম কমাতে পারে?
যদি মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয় বা সুদের হার কমানো না হয়, তাহলে সোনার দাম কিছুটা চাপের মুখে পড়তে পারে। এছাড়া ভারতে বিয়ের মরশুম কম থাকায় চাহিদাও সামান্য কমতে পারে।
বিনিয়োগকারীদের জন্য কী বার্তা?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্পমেয়াদে ওঠানামা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সোনা এখনও নিরাপদ বিনিয়োগ। দাম কমলে ধাপে ধাপে কেনার কৌশলই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
২০২৬ সালের মার্চে রেকর্ড ছোঁয়ার পর সোনার দাম নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এপ্রিলেও দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে, তবে ১.৭৫ লাখ টপকানো নির্ভর করছে বৈশ্বিক পরিস্থিতির উপর।













