আজ সোনার দাম: MCX ও IBJA-র সর্বশেষ রেট জানুন

শনিবার MCX ও IBJA-তে নতুন রেট প্রকাশ হবে না। সর্বশেষ ট্রেডিং সেশনে সোনার ফিউচার্স দাম এবং IBJA-র ২৪ ক্যারেট সোনার সর্বশেষ রেট জেনে নিন।

সোনার দামে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব কমোডিটি মার্কেটে দেখা যাচ্ছে, যার ফলে সোনার দামেও পরিবর্তন হচ্ছে।

শনিবার হওয়ায় আজ MCX (Multi Commodity Exchange)-এ নিয়মিত লেনদেন হবে না। একইভাবে India Bullion and Jewellers Association (IBJA)-এর পক্ষ থেকেও শনিবার নতুন দৈনিক রেট প্রকাশ করা হবে না। ফলে আজ সোনা কেনার ক্ষেত্রে সর্বশেষ উপলব্ধ দামগুলি রেফারেন্স হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে শহর, কর, মেকিং চার্জ এবং সোনার বিশুদ্ধতার ভিত্তিতে গয়নার দোকানে চূড়ান্ত দাম আলাদা হতে পারে।

সর্বশেষ ট্রেডিং সেশনে MCX-এ ৫ অক্টোবরের গোল্ড ফিউচার্স কনট্র্যাক্ট ১৮১ টাকা কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫০,৮৮১ টাকায় বন্ধ হয়েছে। অন্যদিকে, ৪ ডিসেম্বর ২০২৬ ডেলিভারির গোল্ড ফিউচার্স কনট্র্যাক্টও ১১৮ টাকা কমে প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫৩,২৭৭ টাকায় বন্ধ হয়েছে। ফিউচার্স মার্কেটে সোনার দামের পরিবর্তন বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার-সংকেত হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে ফিউচার্স মার্কেটের দাম সরাসরি গয়নার দোকানে পাওয়া চূড়ান্ত খুচরা দামের সমান নয়।

IBJA-এর সর্বশেষ উপলব্ধ তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ক্যারেট সোনার সন্ধ্যার দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫২,১১৩ টাকা। সকালে এর দাম ছিল প্রতি ১০ গ্রামে ১,৫১,১৩৬ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজার, ডলারের গতিবিধি এবং দেশীয় চাহিদার মতো বিভিন্ন কারণে সকালে ও সন্ধ্যায় সোনার দামের মধ্যে পার্থক্য হতে পারে। এছাড়া গয়না কেনার সময় মেকিং চার্জ এবং প্রযোজ্য কর যুক্ত হওয়ায় গ্রাহককে যে মোট অর্থ দিতে হয়, তা আলাদা হতে পারে।

বাজারে সোনার বেস রেট একটি গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স হলেও বিভিন্ন শহরে গ্রাহকের জন্য প্রযোজ্য দাম একই হওয়া বাধ্যতামূলক নয়। স্থানীয় চাহিদা, জুয়েলারদের চার্জ, মেকিং কস্ট এবং অন্যান্য ফি-র কারণে চূড়ান্ত দামে পার্থক্য হতে পারে। দিল্লি, মুম্বই, জয়পুর, আহমেদাবাদ, লখনউ, পাটনা, ভোপাল, কলকাতা বা অন্য কোনও শহরে সোনা কেনার ক্ষেত্রে স্থানীয় জুয়েলারের কাছ থেকে সেই সময়ের বিক্রয়মূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বিশেষ করে গয়না কেনার সময় শুধু ১০ গ্রাম সোনার বেস রেট দেখে মোট দাম নির্ধারণ করা উচিত নয়।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ের দ্বারা প্রভাবিত হয়। মার্কিন ডলারের গতিবিধি, সুদের হারের প্রত্যাশা, কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির নীতি, বৈশ্বিক উত্তেজনা, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক গোল্ড প্রাইস দেশীয় বাজারকে প্রভাবিত করতে পারে। ভারতে টাকা ও ডলারের বিনিময় হারও সোনার দামের ওপর প্রভাব ফেলে। ডলারের তুলনায় টাকা দুর্বল হলে আমদানি করা সোনার খরচ বাড়তে পারে, যার প্রভাব দেশীয় দামের ওপর পড়তে পারে।

 

Leave a comment