আর সুরক্ষিত নয় চ্যাট? মে মাসে বড় বদল আনছে Instagram, গোপনীয়তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

Instagram New Rule: ৮ মে থেকে বদলাচ্ছে চ্যাট সিকিউরিটি, গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ

ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত চ্যাটের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্নের মুখে Instagram। সংস্থা Meta ঘোষণা করেছে, আগামী ৮ মে থেকে মেসেজিং পরিষেবায় আর ডিফল্টভাবে ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’ চালু থাকবে না। এই পরিবর্তন ঘিরে প্রযুক্তি মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।

আর সুরক্ষিত নয় চ্যাট? মে মাসে বড় বদল আনছে Instagram, গোপনীয়তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

কী বদল আসছে এনক্রিপশনে?

এতদিন ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’-এর ফলে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া তৃতীয় কেউ, এমনকী সংস্থাও বার্তা পড়তে পারত না। কিন্তু নতুন আপডেটের পর এই সুরক্ষা আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর থাকবে না। ফলে চ্যাটের নিরাপত্তা কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আসছে।

গোপনীয়তা নিয়ে কেন বাড়ছে উদ্বেগ?

এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য কতটা সুরক্ষিত থাকবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অনেকের আশঙ্কা—এতে কি হ্যাকারদের জন্য সুযোগ তৈরি হবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদ্বেগ থাকলেও পরিস্থিতি পুরোপুরি বিপজ্জনক নয়।

আর সুরক্ষিত নয় চ্যাট? মে মাসে বড় বদল আনছে Instagram, গোপনীয়তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি কতটা বাস্তব?

সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, এনক্রিপশন না থাকলে ডেটা ট্রান্সফারের সময় ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে। তবে Meta-র নিজস্ব সার্ভার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনও শক্তিশালী থাকবে। ফলে সাধারণ হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা সীমিতই।

ব্যবহারকারীদের জন্য কী বিকল্প থাকবে?

৮ মে-র পর ব্যবহারকারীরা চাইলে নিজেদের চ্যাট সেটিংসে গিয়ে ম্যানুয়ালি এনক্রিপশন চালু করতে পারবেন—এমন সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে। অর্থাৎ, নিরাপত্তা পুরোপুরি সরছে না, বরং নিয়ন্ত্রণ ব্যবহারকারীর হাতে আসতে পারে।

আর সুরক্ষিত নয় চ্যাট? মে মাসে বড় বদল আনছে Instagram, গোপনীয়তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ কী?

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন—

ইনস্টাগ্রাম ডিএম-এ সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার না করাই ভালো

ব্যাংকিং বা আর্থিক তথ্য এড়িয়ে চলুন

প্রয়োজন হলে অন্য নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন

আর সুরক্ষিত নয় চ্যাট? মে মাসে বড় বদল আনছে Instagram, গোপনীয়তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

আগামী ৮ মে থেকে Meta-র মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামে ডিফল্ট ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’ বন্ধ হতে চলেছে। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

Leave a comment