Weather Update: পুজোর মুখেই ঘন কুয়াশায় ঢাকল জলপাইগুড়ি! তবে কি আগেভাগেই শীতের আমেজ, বদলের ইঙ্গিত আবহাওয়ায়?

পুজোর মুখেই ঘন কুয়াশায় ঢাকল জলপাইগুড়ি শহর ও আশপাশের এলাকা। বৃষ্টির পর বদলেছে সকালের আবহাওয়া। জানুন তাপমাত্রা ও শীতের আগমনের সম্ভাবনা নিয়ে কী জানা যাচ্ছে।

শরতের শেষলগ্নে জলপাইগুড়ির সকাল যেন শীতের আগমনের বার্তা নিয়ে হাজির। মঙ্গলবার ভোর থেকে শহর ও জেলার বিভিন্ন অংশ ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে। বৃষ্টির পর আবহাওয়ায় বদল আসতেই সকালের দিকে ঠান্ডার অনুভূতি বেড়েছে। গরম চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কুয়াশামাখা সকাল উপভোগ করতে দেখা যায় বাসিন্দাদের।

বৃষ্টির পরই বদলে গেল সকালের পরিবেশ

সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই আবহ কাটার পর মঙ্গলবার জলপাইগুড়িতে দেখা যায় একেবারে ভিন্ন ছবি। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে শহর ও আশপাশের এলাকা।কুয়াশার কারণে সকালের স্বাভাবিক জনজীবন কিছুটা ধীর হয়ে যায়। দূরপাল্লার যানবাহনও সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করে।

পুজোর আগেই শীতের অনুভূতি?

জলপাইগুড়ির এই কুয়াশামাখা সকাল দেখে স্থানীয়দের অনেকেই শীতের আগমনের সঙ্গে বিষয়টিকে মিলিয়ে দেখছেন। ভোর ও সকালের দিকে বাতাসে হালকা থেকে মাঝারি ঠান্ডার অনুভূতিও মিলেছে বলে স্থানীয়দের বক্তব্য।তবে শুধু একটি দিনের কুয়াশা দেখেই শীতের স্থায়ী আগমন ধরে নেওয়া যায় না। ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে রাত ও ভোরের তাপমাত্রা, বাতাসের আর্দ্রতা এবং স্থানীয় আবহাওয়ার পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে এমন কুয়াশা তৈরি হতে পারে।

তাপমাত্রা কত?

স্থানীয় প্রতিবেদনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জলপাইগুড়িতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি রয়েছে।

অর্থাৎ, দিনের তাপমাত্রা এখনও যথেষ্ট বেশি থাকলেও সকালবেলার কুয়াশা ও ঠান্ডার অনুভূতি বাসিন্দাদের কাছে আবহাওয়ার বদলের আলাদা আমেজ তৈরি করেছে।

কুয়াশার মধ্যে চায়ের আড্ডা, মোবাইলে ছবি

সকালের ঘন কুয়াশাকে ঘিরে শহরবাসীর মধ্যেও তৈরি হয়েছে উৎসাহ। কেউ গরম চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে এই আবহ উপভোগ করেছেন, আবার কেউ কুয়াশায় মোড়া শহরের ছবি মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দা রমেশ দাস ও আকাশ সাহার কথায়, বৃষ্টির পর গরমের অনুভূতি থাকলেও মঙ্গলবার সকালের কুয়াশা সেই পরিবেশ অনেকটাই বদলে দিয়েছে। তাঁদের কাছে এই ঠান্ডা-ঠান্ডা আবহ বেশ উপভোগ্য লেগেছে।

তাহলে কি এবার শীত দ্রুত আসছে?

কুয়াশা দেখা দিলেই যে শীত পুরোপুরি এসে গিয়েছে, এমনটা বলা যায় না। তবে বর্ষার পর আকাশ পরিষ্কার হওয়া, রাতের তাপমাত্রার ওঠানামা এবং ভোরে আর্দ্রতার প্রভাবে কোথাও কোথাও কুয়াশা দেখা দিতে পারে।তাই জলপাইগুড়ির মঙ্গলবারের কুয়াশাকে আপাতত শরতের সকালের আবহাওয়ার একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনের তাপমাত্রা ও আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতিই বোঝাবে এই ঠান্ডার অনুভূতি কতটা স্থায়ী হয়।

বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেল জলপাইগুড়ি শহর ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা। ভোরের পরেও সূর্যের দেখা মেলেনি। কুয়াশার জেরে যান চলাচলেও ধীরগতি দেখা যায়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, পুজোর আগেই যেন শীতের আবহ অনুভূত হচ্ছে।

Leave a comment