লখনউয়ে ফ্ল্যাট বিতর্কে সেচ বিভাগের JE ও জিলেদার অপসারিত

লখনউয়ের সর্দার প্যাটেল আবাসিক যোজনার একটি ফ্ল্যাটে নোটিস সাঁটানো ও বুলডোজার নিয়ে পৌঁছানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেচ বিভাগের এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এবং এক জিলেদারকে অপসারণ করা হয়েছে। বিভাগ ঘটনাটির বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।
লখনউয়ে ফ্ল্যাট বিতর্কে সেচ বিভাগের JE ও জিলেদার অপসারিত
Photo Credit / Attribution: Google

লখনউয়ে সর্দার প্যাটেল আবাসিক যোজনার একটি ফ্ল্যাটে নোটিস সাঁটানো এবং বুলডোজার নিয়ে দল পৌঁছানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর প্রদেশের সেচ বিভাগের এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (JE) এবং এক জিলেদারকে তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, আবাসিক যোজনার একটি ফ্ল্যাটকে ঘিরে বিভাগীয় পদক্ষেপের প্রক্রিয়া চলছিল। এই সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ফ্ল্যাটে নোটিস সাঁটান এবং বুলডোজারসহ একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে বিভাগীয় স্তরে এর পর্যালোচনা করা হয়।

প্রশাসনিক তদন্তে দেখা যায়, গৃহীত পদক্ষেপের প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। এর পর সেচ বিভাগ তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও জিলেদারকে তাদের বর্তমান পদ থেকে অপসারণ করে। বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ঘটনার পর আবাসিক যোজনার বাসিন্দাদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, যে কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপের আগে সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কের পরিস্থিতি তৈরি না হয়।

বিভাগীয় সূত্রের মতে, তদন্তে খতিয়ে দেখা হবে নোটিস জারি করা এবং বুলডোজার নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া নিয়ম অনুযায়ী ছিল কি না। যদি কোনও স্তরে গাফিলতি বা বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

বর্তমানে সেচ বিভাগ দুই কর্মকর্তাকে অপসারণ করে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পরই পুরো ঘটনাক্রমে কার কী দায়িত্ব ছিল এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট হবে।

Leave a comment