মাটনের ঝোল সুস্বাদু করতে অনেকেই টক দই ব্যবহার করেন। কিন্তু দই কখন দেবেন—ম্যারিনেশনের সময়, নাকি রান্নার মাঝপথে? এই ছোট্ট কৌশলই বদলে দিতে পারে গোটা রান্নার স্বাদ। জেনে নিন মাটন রান্নার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস।

ম্যারিনেশনের সময় দই দিলে কী লাভ?
রান্নার আগে ভালো করে ফেটানো টক দই দিয়ে অন্তত ১ থেকে ২ ঘণ্টা মাটন ম্যারিনেট করে রাখলে মাংস অনেক বেশি নরম হয়। পাশাপাশি মশলা সহজেই মাংসের ভেতরে ঢুকে যায়, ফলে রান্নার পর স্বাদ আরও গভীর ও সমৃদ্ধ হয়।ম্যারিনেশনের সময় তেল না দিয়ে, রান্না শুরু করার আগে তেল ব্যবহার করাই ভালো।
রান্নার সময় কখন দই দেবেন?
যদি আগে থেকে ম্যারিনেট করার সুযোগ না থাকে, তাহলে মশলা ভালোভাবে কষে তেল ছাড়তে শুরু করলে ফেটানো টক দই মেশান। এই সময় গ্যাসের আঁচ অবশ্যই কমিয়ে দিতে হবে এবং দই দেওয়ার পর ক্রমাগত নাড়তে হবে, যাতে দই ফেটে না যায়।
দই দেওয়ার আগে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো
দই সবসময় ভালোভাবে ফেটিয়ে ব্যবহার করুন।
দই সরাসরি গরম কড়াইয়ে দিলে দলা পাকাতে পারে।
কম আঁচে ধীরে ধীরে দই মিশিয়ে নিলে ঝোল মসৃণ হয়।
ফুল-ফ্যাট টক দই ব্যবহার করলে ঝোলের স্বাদ ও টেক্সচার আরও ভালো হয়।

শেষেও দই দেওয়া যায়, তবে…
রান্নার একেবারে শেষেও দই ব্যবহার করা সম্ভব। তবে সে ক্ষেত্রে আঁচ একেবারে কমিয়ে দিতে হবে। আগে থেকে ফেটানো দই অল্প অল্প করে মিশিয়ে নাড়তে থাকলে ঝোলে কোনও দলা তৈরি হবে না এবং স্বাদও বজায় থাকবে।

লেবুর রস ও দই একসঙ্গে ব্যবহার করবেন?
দই ও লেবুর রস—দুটিই টক উপাদান। তাই একই রান্নায় দুটো একসঙ্গে ব্যবহার করলে স্বাদের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কোন উপাদান কখন ব্যবহার করছেন, সে বিষয়ে সচেতন থাকাই ভালো।

জামাইষষ্ঠী হোক বা বিশেষ কোনও ভোজ, পাঁঠা বা খাসির মাংসের ঝোল নিখুঁত না হলে খাওয়ার আনন্দই মাটি। মাটন রান্নায় টক দই ব্যবহার করলে স্বাদ ও টেক্সচার অনেকটাই বদলে যায়। তবে দই দেওয়ার সঠিক সময় জানা না থাকলে ঝোলের স্বাদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।








