কাঁওয়াড় যাত্রাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও যান চলাচল ব্যবস্থাপনার স্বার্থে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (NCRTC) গাজিয়াবাদ ও মেরঠের মধ্যে পরিচালিত নমো ভারত (RRTS) পরিষেবার ১৭টি স্টেশনে ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত অস্থায়ী ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। এই সময়ে একাধিক প্রবেশ ও প্রস্থান গেট এবং সংশ্লিষ্ট পার্কিং সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ট্রেন পরিষেবা নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে চলবে।
কাঁওয়াড় যাত্রার সময় অতিরিক্ত ভিড় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে এই বিশেষ ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। ৪ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত ১৭টি স্টেশনের নির্দিষ্ট কিছু প্রবেশ ও প্রস্থান গেট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট গেটগুলোর সঙ্গে যুক্ত পার্কিং সুবিধাও যাত্রীদের জন্য উপলব্ধ থাকবে না। প্রশাসনের উদ্দেশ্য যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যাত্রাকালীন যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা।
নতুন ব্যবস্থার আওতায় মোদীপুরম, মেরঠ নর্থ, এমইএস কলোনি, ভৈসালি, মেরঠ সেন্ট্রাল, ব্রহ্মপুরী, শতাব্দী নগর, রিঠানি, পরতাপুর, মেরঠ সাউথ, মোদীনগর নর্থ, মোদীনগর সাউথ, মুরাদনগর এবং গুলধর স্টেশনে গেট নম্বর-২ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। এছাড়া বেগমপুল স্টেশনে গেট নম্বর-২ ও ৩, দুহাই স্টেশনে গেট নম্বর-৩ ও ৪ এবং গাজিয়াবাদ স্টেশনে গেট নম্বর-৩ ও ৫-ও এই সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে। এসব গেটের দিকের পার্কিং সুবিধাও যাত্রীদের জন্য উপলব্ধ থাকবে না।

NCRTC জানিয়েছে, শুধুমাত্র কিছু প্রবেশ ও প্রস্থান গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। নমো ভারত ট্রেনের পরিচালনা আগের মতোই নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলবে এবং সব ট্রেন নিয়মিতভাবে পরিষেবা দেবে। যাত্রীদের সংশ্লিষ্ট স্টেশনে খোলা থাকা বিকল্প প্রবেশ ও প্রস্থান গেট ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়। NCRTC-এর জনসংযোগ কর্মকর্তা পুনীত বৎস যাত্রীদের যাত্রার আগে স্টেশনের ব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য জেনে শুধুমাত্র উপলব্ধ গেট ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রেল প্রশাসনের মতে, কাঁওয়াড় যাত্রার সময় একাধিক রুটে অতিরিক্ত ভিড় এবং যান চলাচলে বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। তাই যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়ি থেকে রওনা হওয়া এবং স্টেশনে উপলব্ধ বিকল্প পথ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব এড়ানো যায়। প্রশাসনের মতে, এই অস্থায়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি র্যাপিড রেল পরিষেবার পরিচালনাও বাধাহীনভাবে চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।









