ওমদুরমানে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত: ৪৬ জন নিহত

সুদানে চলমান সংঘর্ষের মধ্যে ওমদুরমানে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৪৬ জন নিহত হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও অজানা।

সুদানে চলমান ভয়াবহ সংঘর্ষের মধ্যে একটি বড় সামরিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। ওমদুরমান শহরে একটি সুদানি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে, যাতে ৪৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে, এবং অনেকে আহত হয়েছেন। কর্তৃপক্ষের মতে, এই দুর্ঘটনাটি মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) ওয়াদি সায়্যেদনা এয়ারবেস থেকে উড্ডয়নের সময় ঘটে।

দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে রহস্য

ওমদুরমানে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত: ৪৬ জন নিহত

এখনও পর্যন্ত বিমান দুর্ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ সামনে আসেনি। তবে, সেনাবাহিনীর এক আधिकারিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে নিহতদের মধ্যে সেনাকর্মী এবং বেসামরিক ব্যক্তি উভয়েই রয়েছেন। সুদানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, নিহতদের মৃতদেহ ওমদুরমানের নাও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, এবং পাঁচজন আহতের চিকিৎসা চলছে।

সুদানে গত দুই বছর ধরে সেনাবাহিনী এবং अर्धसैनिक সংগঠন র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ চলছে, যা দেশটিকে গৃহযুদ্ধের কবলে ফেলে দিয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে খার্তুম এবং অন্যান্য এলাকায় সামরিক অভিযান বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

RSF-এর উপর আক্রমণের দাবি

ওমদুরমানে সামরিক বিমান বিধ্বস্ত: ৪৬ জন নিহত

এই দুর্ঘটনার একদিন আগে, RSF দাবি করেছিল যে তারা দক্ষিণ দারফুর প্রদেশের রাজধানী নিয়ালায় একটি সুদানি সামরিক বিমানকে ভূপাতিত করেছে। তবে, এটা স্পষ্ট নয় যে ওমদুরমানে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনার RSF-এর আক্রমণের সাথে কোনো সম্পর্ক আছে কি না। জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি সুদানে চলমান সংঘর্ষকে "মানবতাবিরোধী অপরাধ" এবং "যুদ্ধাপরাধ" হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। হিংসার ঘটনাগুলির ফলে দেশের হাজার হাজার মানুষ পালিয়ে যাওয়ার জন্য বাধ্য হয়েছে।

এই সামরিক দুর্ঘটনা সুদানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সরকার এবং সামরিক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো ठोस পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে দেশে শান্তির আশা ক্রমশ ম্লান হয়ে যাচ্ছে।

Leave a comment