মধ্যপ্রাচ্যের অশান্তির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে ভারতেও। তবে গুজবে কান না দিয়ে পেট্রোল পাম্প থেকে তেল কেনার সঠিক নিয়ম জানা জরুরি—নইলে আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।
প্যানিক বায়িং বাড়ছে কেন?
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির জেরে পেট্রোল-ডিজেল ঘাটতির গুজব ছড়িয়েছে। ফলে অনেকেই বাড়তি তেল কিনতে শুরু করেছেন।
তবে সরকার জানিয়েছে—দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে, প্রায় ৬০ দিনের জন্য।
গাড়িতে তেল ভরার ক্ষেত্রে নিয়ম
আপনি আপনার গাড়ির ট্যাঙ্কে যত খুশি তেল ভরাতে পারেন
দিনে একাধিকবার পাম্পে গিয়েও তেল নেওয়া যায়
এই ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট সীমা নেই
ক্যান বা বোতলে তেল নেওয়ার সীমা
সাধারণত ২–৫ লিটার পর্যন্ত তেল ক্যান-এ দেওয়া হয়
বিশেষ প্রয়োজনে অনেক পাম্প ৫–১০ লিটার পর্যন্ত দিতে পারে
গুরুত্বপূর্ণ:
সাধারণ প্লাস্টিক বোতলে তেল দেওয়া হয় না
শুধুমাত্র অনুমোদিত (Approved) কন্টেনার ব্যবহার করতে হবে
বড় পরিমাণ তেল নিতে চাইলে কী করবেন?
২০, ৫০ বা ২০০ লিটার তেল নিতে হলে লাগবে বিশেষ অনুমতি।
Petroleum Act 1934 অনুযায়ী—
লাইসেন্স বা পারমিট বাধ্যতামূলক
তেলের ব্যবহার (জেনারেটর/কৃষি/শিল্প) জানাতে হবে
নিরাপদ সংরক্ষণের পরিকল্পনাও জানাতে হবে
বাড়িতে তেল মজুত রাখা কি বৈধ?
না, বাড়িতে অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত রাখা বিপজ্জনক
অনেক ক্ষেত্রে এটি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ
সরকার বারবার বলছে—
“যতটা প্রয়োজন, ততটাই কিনুন”
ভারতের জ্বালানি পরিস্থিতি এখন কেমন?
ভারত প্রায় ৮৫% অপরিশোধিত তেল আমদানি করে
বর্তমানে ৪০+ দেশ থেকে তেল আমদানি হচ্ছে
Strategic Petroleum Reserve বাড়ানো হচ্ছে
বিকল্প শক্তি (Renewable Energy) ও PNG-র উপরও জোর বাড়ছে
পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে আতঙ্কে বাড়ছে প্যানিক বায়িং। তবে একদিনে কতটা তেল কেনা যায়, তা নিয়ে স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে। গাড়িতে ভরার ক্ষেত্রে কোনও সীমা না থাকলেও, আলাদা কন্টেনারে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে কড়া বিধিনিষেধ।











