কলকাতা: পুজোর ছুটিতে পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? আবার একই সফরে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় ঘুরতেও চান? পর্যটকদের জন্য এমনই নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে রেল যোগাযোগ। পুরুলিয়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পর্যন্ত সরাসরি নতুন ট্রেন চালুর দাবি উঠেছে। পাশাপাশি পুরুলিয়া থেকে দিঘা পর্যন্ত আরও একটি নতুন ট্রেনের দাবিও জানানো হয়েছে।
পুরুলিয়া থেকে NJP, তারপর দার্জিলিং—সহজ হতে পারে পাহাড় সফর
পুরুলিয়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু হলে জঙ্গলমহলের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে। NJP পৌঁছে সড়কপথে সহজেই দার্জিলিং, কালিম্পং কিংবা ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়া যায়।বর্তমানে পুরুলিয়া থেকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে যেতে যাত্রীদের একাধিক সংযোগের উপর নির্ভর করতে হয়। নতুন ট্রেন চালু হলে সেই ঝক্কি অনেকটাই কমতে পারে।
এক সফরেই অযোধ্যা পাহাড় আর দার্জিলিং?
পুজোর মরশুমে দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের চাপ থাকে তুঙ্গে। অন্যদিকে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় ও বাঘমুন্ডি এলাকাতেও পর্যটকের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ফলে দুই প্রান্তের মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ তৈরি হলে পর্যটকদের কাছে নতুন ধরনের ভ্রমণ পরিকল্পনা জনপ্রিয় হতে পারে।ধরা যাক, প্রথমে পুরুলিয়ায় অযোধ্যা পাহাড় ঘুরে তারপর NJP হয়ে দার্জিলিং—এক সফরেই জঙ্গলমহল এবং পাহাড়, দুই ভিন্ন ভূপ্রকৃতির স্বাদ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
পুরুলিয়া-দিঘা রুটেও নতুন ট্রেনের দাবি
শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, পুরুলিয়া থেকে দিঘা পর্যন্ত নতুন ট্রেন চালুর দাবিও সামনে এসেছে। ফলে জঙ্গলমহল থেকে সমুদ্রসৈকতে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও নতুন বিকল্প তৈরি হতে পারে।পর্যটনের পাশাপাশি এই ধরনের রেল পরিষেবা চালু হলে স্থানীয় ব্যবসা, হোটেল, পরিবহণ এবং অন্যান্য পর্যটন-নির্ভর পরিষেবাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, পুরুলিয়া-NJP বা পুরুলিয়া-দিঘা রুটে নতুন ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আপাতত নতুন ট্রেন চালুর দাবি জানানো হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, সময়সূচি এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের পরই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
দুর্গাপুজোর আগে পর্যটকদের জন্য বড়সড় রেল সংযোগের দাবি উঠেছে পুরুলিয়া থেকে। পুরুলিয়া-নিউ জলপাইগুড়ি এবং পুরুলিয়া-দিঘা রুটে নতুন জোড়া ট্রেন চালুর প্রস্তাব সামনে এসেছে। পুরুলিয়া-NJP রুট চালু হলে অযোধ্যা পাহাড় থেকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে যাতায়াত আরও সহজ হতে পারে।












