রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জিও প্ল্যাটফর্মস আইপিওর ড্রাফট মে মাসে জমা পড়তে পারে

Reliance Industries may file draft papers in May for the proposed IPO of Jio Platforms, which could become one of India’s largest public offerings, amid global market uncertainties and investor interest.

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড তাদের টেলিকম ও ডিজিটাল ইউনিট জিও প্ল্যাটফর্মস লিমিটেডকে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, এবং মে মাসে প্রাথমিক ড্রাফট নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে জিও আইপিওর জন্য প্রাথমিক ড্রাফট পেপার জমা দেওয়া হতে পারে। এর আগে মার্চ ত্রৈমাসিকের শেষে এই নথি জমা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিশেষ করে ইরান ও আমেরিকা সংশ্লিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ায় কোম্পানি তাদের সময়সীমা পরিবর্তন করেছে। এখন মে মাসে ড্রাফট ফাইলিংয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সম্ভাব্য আইপিও আকার এবং মূল্যায়নের দিক থেকে ভারতের পূর্ববর্তী সব পাবলিক ইস্যুকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম আইপিও হতে পারে।

রিলায়েন্স গ্রুপ পূর্বেও বড় আইপিও এনেছে, তবে প্রায় দুই দশক পরে এই প্রথমবার গ্রুপের কোনো প্রধান ডিজিটাল কোম্পানি শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাচ্ছে।

গত কয়েক বছরে জিও প্ল্যাটফর্মস ডিজিটাল পরিষেবা এবং টেলিকম খাতে দ্রুত সম্প্রসারণ করেছে, যার ফলে কোম্পানির মূল্যায়ন উচ্চ বলে বিবেচিত হচ্ছে। কোম্পানির কার্যক্রম টেলিকমের পাশাপাশি ডিজিটাল পরিষেবা, অ্যাপ, ব্রডব্যান্ড, এন্টারটেইনমেন্ট এবং এন্টারপ্রাইজ সলিউশন অন্তর্ভুক্ত।

এই সম্ভাব্য আইপিও প্রক্রিয়ায় প্রায় ১৯টি বিনিয়োগ ব্যাংক পরামর্শদাতা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে কোटक মহিন্দ্রা ক্যাপিটাল, মর্গান স্ট্যানলি, জেএম ফাইন্যান্সিয়াল, গোল্ডম্যান স্যাক্স, এইচএসবিসি, ব্যাংক অফ আমেরিকা এবং সিটিগ্রুপ অন্তর্ভুক্ত।

ভারতীয় শেয়ার বাজারে এই সম্ভাব্য আইপিওকে ঘিরে আগ্রহ দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ইস্যু এলে বাজারে তরলতা বাড়তে পারে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে আইপিওর আকার, মূল্যায়ন বা চূড়ান্ত সময়সূচি সম্পর্কে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ওঠানামা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব প্রভাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোম্পানি আরও স্থিতিশীল বাজার পরিস্থিতির অপেক্ষায় রয়েছে, যাতে আইপিওর জন্য উপযুক্ত মূল্যায়ন এবং প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়।

 

Leave a comment