সপনা চৌধুরীর অভিযোগে বীর সাহুর বিরুদ্ধে দ্বারকা মহিলা আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ

হরিয়ানভি শিল্পী সপনা চৌধুরী তাঁর স্বামী বীর সাহুর বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে দিল্লির দ্বারকা মহিলা আদালতে আবেদন করেছেন। আদালত অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দিয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৫ জুলাই নির্ধারণ করেছে।

হরিয়ানভি নৃত্যশিল্পী ও গায়িকা সপনা চৌধুরী তাঁর স্বামী ও হরিয়ানভি গায়ক বীর সাহুর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন ও মানসিক হয়রানির অভিযোগ এনে দিল্লির দ্বারকা মহিলা আদালতে একটি আবেদন দায়ের করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, আদালতে দাখিল করা আবেদনে সপনা চৌধুরী অভিযোগ করেছেন যে তিনি মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। মামলার প্রাথমিক শুনানিতে আদালত আবেদনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নোটিশ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা প্রদান করেছে।

আদালত বীর সাহুকে নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত তিনি সপনা চৌধুরীর সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করবেন না। পাশাপাশি তাঁকে সপনা চৌধুরীর বাড়ি বা কর্মস্থলে যাওয়া এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের হয়রানি করা থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুনানির সময় সপনা চৌধুরীর পক্ষ থেকে ভিডিও রেকর্ডিং, অডিও ক্লিপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপস্থাপিত প্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৫ জুলাই নির্ধারণ করেছে, যেখানে উভয় পক্ষের যুক্তি বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করা হবে।

সূত্রের দাবি, বৈবাহিক বিরোধ তীব্র হওয়ার পর সপনা চৌধুরী তাঁর শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে আলাদা হয়ে গেছেন এবং বর্তমানে নিজের পৈতৃক পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছেন। জানা গেছে, তিনি বর্তমানে দিল্লির দ্বারকা এক্সপ্রেসওয়ে এলাকার একটি বাসভবনে পরিবারের সঙ্গে থাকছেন।

সপনা চৌধুরী ও বীর সাহু ২০২০ সালে পাঞ্জাবে প্রেমের বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। সপনা চৌধুরীর বাড়ি হরিয়ানার হিসার জেলায় এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্টেজ শো ও সঙ্গীত জগতের সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে, বীর সাহুও হরিয়ানভি সঙ্গীত শিল্পের পরিচিত নাম এবং তাঁর গানের জন্য পরিচিত।

আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। আদালত স্পষ্ট করেছে যে মামলার শুনানি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে সংযম বজায় রাখতে হবে। ২৫ জুলাইয়ের পরবর্তী শুনানিতে আদালত মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য ও প্রমাণের বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে।

 

Leave a comment