গোরখপুরে মঙ্গলবার ১.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্রিন সিটি-মাধোপুর বাঁধ সড়কের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ৬৯.৫৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ও প্রশস্ত করা এই দুই লেনের সড়কটি জাতীয় সড়ক-২৪, অর্থাৎ সোনৌলি-নৌতনওয়া-গোরখপুর সড়ক থেকে গ্রিন সিটি ও পটনিয়া হয়ে মাধোপুর বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
সড়ক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উন্নয়নমূলক কাজের তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি উপস্থিতদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সাংসদ ও অভিনেতা রবি কিশন বক্তব্য না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী হালকা মেজাজে মন্তব্য করেন।
এরপর তিনি উপস্থিতদের কাছে জানতে চান, রবি কিশনের আয়োজিত ভোজে কতজন অংশ নিয়েছিলেন। পরে তিনি প্রশ্ন করেন, কতজন রবি কিশনের সিনেমা এবং কতজন ‘কালীবাড়ি বাবা’র সিনেমা দেখেছেন। উপস্থিতরা তাদের প্রতিক্রিয়া জানান। উত্তর শোনার পর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, দুজনের মধ্যে সমতা রয়েছে।

গ্রিন সিটি-মাধোপুর বাঁধ সড়কটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৮০ কিলোমিটার। এর নির্মাণ ও প্রশস্তকরণে ৬৯.৫৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সড়কটি দুই লেনের এবং জাতীয় সড়ক-২৪, অর্থাৎ সোনৌলি-নৌতনওয়া-গোরখপুর সড়ক থেকে গ্রিন সিটি ও পটনিয়া হয়ে মাধোপুর বাঁধ পর্যন্ত বিস্তৃত।
লোক নির্মাণ বিভাগের নির্মাণ খণ্ড-২-এর মাধ্যমে সড়কটির প্রশস্তকরণ ও মজবুতকরণের কাজ করা হয়েছে। সড়কটির উন্নয়নের ফলে আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে সুবিধা হবে।
গ্রিন সিটি-মাধোপুর বাঁধ সড়ক নির্মাণের সময় জলনিকাশির ব্যবস্থার দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। সড়কের দুই পাশে ড্রেন তৈরি করা হয়েছে, যাতে বৃষ্টির সময় জলনিকাশি আরও ভালোভাবে করা যায়।
নতুন সড়কটি গ্রিন সিটি ও আশপাশের কলোনির বাসিন্দাদের সরাসরি সুবিধা দেবে। আগে সরু সড়ক ও যানবাহনের চাপের কারণে যাতায়াতে সমস্যার মুখে পড়তে হতো। সড়ক প্রশস্ত হওয়ার ফলে এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গ্রিন সিটি-মাধোপুর বাঁধ সড়কের গুরুত্ব শুধু স্থানীয় যাতায়াতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই পথ ব্যবহার করে নেপাল, লখনউ, বারাণসী, মহারাজগঞ্জ এবং সিদ্ধার্থনগরের দিকে যাতায়াতকারী মানুষও উপকৃত হবেন।
নতুন সড়কের ফলে এই যাত্রীদের গোরখপুর শহরের অভ্যন্তরীণ অংশ দিয়ে যাতায়াতের প্রয়োজন কমবে। এর ফলে শহরের প্রধান সড়কগুলিতে যানবাহনের চাপ কমাতেও সহায়তা করতে পারে। এই উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় সংযোগের পাশাপাশি আঞ্চলিক যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।










