AI চাকরি হুমকি 2025: দক্ষিণ এশিয়ার ৭% মানুষ হতে পারেন বেকার

AI চাকরি হুমকি 2025: দক্ষিণ এশিয়ার ৭% মানুষ হতে পারেন বেকার

AI চাকরি হুমকি: বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ এবং শ্রীলঙ্কার শ্রমবাজারে এআই-এর প্রভাব শক্তিশালী। বিশেষ করে ব্যবসা ও তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে মধ্যম বা অল্প শিক্ষিত ও তরুণ কর্মীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে। স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও জেনারেটিভ এআই, যেমন ChatGPT, মানুষের কাজের বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলছে। রিপোর্টে সতর্কবার্তা রয়েছে যে, দক্ষতার উচ্চ স্তর থাকা সত্ত্বেও কিছু চাকরি হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

দক্ষতার ভিত্তিতে ঝুঁকি

বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, উচ্চ আয়ের ও অধিক দক্ষতার চাকরির ক্ষেত্রেও ঝুঁকি রয়েছে। এআই প্রযুক্তি কাজগুলো দ্রুত শিখছে এবং মানুষের মতো চিন্তা করার চেষ্টা করছে। ফলে, অভিজ্ঞ কর্মীদের তুলনায় অল্প অভিজ্ঞ তরুণ কর্মীদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা বেশি।

জেনারেটিভ এআই-এর প্রভাব

জেনারেটিভ এআই বহুদিন ধরে শ্রমবাজারে কাজের সংখ্যা কমাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ChatGPT এখন নিবন্ধ লেখা, তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন সৃজনশীল কাজ করতে পারে। এর ফলে, আগে যেসব কাজ মানুষের হাতে হত, তা এখন স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি সম্পন্ন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতে আরও অনেক চাকরি এআই দ্বারা প্রভাবিত হবে।

দক্ষিন এশিয়ার ঝুঁকিপূর্ণ দেশসমূহ

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশ—ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ এবং শ্রীলঙ্কা—এআই-এর কারণে মোট ৭% মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে আছে। বিশেষ করে তরুণ ও মাঝারি শিক্ষিত কর্মীরা সবচেয়ে ঝুঁকিতে। অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বেশি থাকলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়।

বিশ্ব ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক রিপোর্টে জানা গেছে, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশে ৭% মানুষ আগামী কয়েক বছরে এআই-এর কারণে চাকরি হারাতে পারেন। বিশেষ করে মধ্যম বা অল্প শিক্ষিত তরুণ কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন। উচ্চ দক্ষতার চাকরিও ঝুঁকিতে থাকলেও অভিজ্ঞদের জন্য হুমকি তুলনামূলক কম।

Leave a comment